Bartaman Logo
১৫ আগস্ট, ২০২৬

হাওড়া সহ সর্বাধিক আয়ের স্টেশনে নেই পর্যাপ্ত যাত্রী পরিষেবা, রিপোর্ট ক্যাগের

প্রতি স্টেশনে বছরে যাত্রী যাতায়াত করেন সর্বাধিক প্রায় ১২ কোটি। আয়ের নিরিখে এইসব স্টেশনের নাম দেশের মধ্যে প্রথম দশে।

হাওড়া সহ সর্বাধিক আয়ের স্টেশনে নেই পর্যাপ্ত যাত্রী পরিষেবা, রিপোর্ট ক্যাগের
  • ১৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: প্রতি স্টেশনে বছরে যাত্রী যাতায়াত করেন সর্বাধিক প্রায় ১২ কোটি। আয়ের নিরিখে এইসব স্টেশনের নাম দেশের মধ্যে প্রথম দশে। অথচ সেগুলিতে অমিল একাধিক ন্যূনতম যাত্রী পরিষেবাই। পানীয় জল, পাখা, বসার বন্দোবস্ত, আচ্ছাদন কিংবা জল ঠান্ডা রাখার যন্ত্র। আয়ের নিরিখে দেশের এমন ‘সেরা’ অথচ একাধিক যাত্রী পরিষেবা না থাকা ১০টি স্টেশনের তালিকায় উঠে এল হাওড়া  স্টেশনের নাম। সেখানে পর্যাপ্ত পানীয় জল সহ একাধিক যাত্রী পরিষেবার সুবন্দোবস্তই নেই। এমনই উঠে এসেছে ক্যাগের রিপোর্টে। এরই পাশাপাশি বাংলা তথা দেশের অন্যান্য একাধিক রেলওয়ে স্টেশনেও অমিল ন্যূনতম যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের বন্দোবস্ত। এসংক্রান্ত বিষয়ে সংসদে রিপোর্ট জমা দিয়েছে ক্যাগ।  

Advertisement

রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হাওড়া স্টেশনের আয় বছরে প্রায় ১ হাজার ৫৩৯ কোটি ৯৮ লক্ষ ১৬ হাজার ২৮৪ টাকা। ওই স্টেশনে যাত্রী যাতায়াত করেন বছরে প্রায় ৬ কোটি ১৯ লক্ষ ২৩৬ জন। এত বিপুল আয় এবং ‘প্যাসেঞ্জার ফুটফল’ সত্ত্বেও কেন ন্যূনতম যাত্রী পরিষেবার বন্দোবস্ত হাওড়া স্টেশনে নেই, সেই প্রশ্ন ইতিমধ্যেই উঠতে শুরু করেছে। ওই তালিকার অন্যান্য ন’টি স্টেশন হল নিউ দিল্লি, হজরত নিজামুদ্দিন, আনন্দবিহার টার্মিনাল, সেকেন্দ্রাবাদ, এমজিআর চেন্নাই সেন্ট্রাল, আমেদাবাদ, ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস, কেএসআর বেঙ্গালুরু এবং সুরাত। তালিকার বাকি ন’টির মধ্যে প্রথম তিনটিই দিল্লির স্টেশন! এরই পাশাপাশি বাংলার অন্যান্য যে স্টেশনে ন্যূনতম যাত্রী পরিষেবা না থাকার বিষয়টি ক্যাগ রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হল ব্যান্ডেল, দুর্গাপুর, মালদহ টাউন, নিউ কোচবিহার (এগুলিতে পর্যাপ্ত পানীয় জল, পাখা, প্ল্যাটফর্ম শেল্টারের যথাযথ ব্যবস্থা নেই), নৈহাটি (ওয়েটিং হল, প্ল্যাটফর্ম শেল্টার নেই), নিউ জলপাইগুড়ি (পর্যাপ্ত শৌচালয়ের অভাব রয়েছে) প্রভৃতি। শিয়ালদহ স্টেশনেও পর্যাপ্ত পানীয় জলের অভাব, বসার বন্দোবস্তের অভাব নিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে ক্যাগ রিপোর্টে। 
একইসঙ্গে ক্যাগ রিপোর্টে জানানো হয়েছে যে, জোনগুলির মধ্যে সবথেকে ভালো পরিস্থিতি রয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব রেলে। এরপর রয়েছে পশ্চিম রেল। অন্যদিকে, ন্যূনতম যাত্রী পরিষেবা না থাকার ক্ষেত্রে সবথেকে খারাপ পরিস্থিতি দক্ষিণ-পূর্ব-মধ্য রেলে। এই তালিকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে। এদিকে, বাংলার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা রাষ্ট্রমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ