সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে ব্যাটারিচালিত নৌকা চালানোর পরিকল্পনা করেছে পাথরপ্রতিমা ব্লক প্রশাসন। ইতিমধ্যেই এই ব্লকের দু’টি ফেরিঘাটে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যাটারিচালিত নৌকা চালানো হচ্ছে। সাফল্য মিললে এই ব্লকের বাকি ফেরিঘাটে একই পদ্ধতিতে নৌকা চালানো হবে। জানা গিয়েছে, যুধিষ্ঠির জানার খেয়াঘাট ও বনশ্যামনগরের খেয়াঘাটে ব্যাটারিচালিত নৌকার মাধ্যমে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার জন্য খেয়াঘাটের পাশে সৌরশক্তির একটি প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে। প্রতিদিন রাতে নৌকা থেকে দু’টি ব্যাটারি খুলে নিয়ে গিয়ে সোলার প্রজেক্টে চার্জ দেওয়া হয়। সকালে চার্জ সম্পূর্ণ হয়ে গেলে সেগুলি ফের নৌকায় লাগিয়ে যাত্রী পরিবহণ করা হয়। দু’টি ব্যাটারিতেই সেন্সর লাগানো রয়েছে। ওই ব্যাটারিতে কত শতাংশ চার্জ রয়েছে, মাঝি নিজের মোবাইলে তা দেখে নিতে পারবেন।
Advertisement
এ বিষয়ে যুধিষ্ঠির জানার খেয়াঘাটের মাঝি আর্যকুমার মাইতি বলেন, ‘অতীতে এই খেয়াঘাটের নৌকায় ইঞ্জিনচালিত পাখা বসানো ছিল। সেই সময় যাত্রী বোঝাই নৌকা নিয়ে প্রায় ৬০০ মিটার কার্জনক্রিক পারাপার করতে সময় লাগত ২০ মিনিট। বর্তমানে ব্যাটারিচালিত নৌকায় একই পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে ১৫ মিনিট। এক্ষেত্রে যাত্রী ভাড়া একই রাখা হয়েছে। উল্টে নৌকা চালানোর খরচ অনেকটাই কমেছে। ব্যাটারিচালিত ইঞ্জিনের মাধ্যমে নৌকা চালাতেও খুব সুবিধা হয়। কারণ এই মেশিনের মাধ্যমে নৌকা সামনে ও পিছনে করা যায়।’ নৌকার সওয়ারি তপন জানা বলেন, ‘এখন নৌকায় ইঞ্জিনের কোনও শব্দ শোনা যায় না। ধোঁয়াও বের হয় না। সময়ও অনেক কম লাগে।’
পাথরপ্রতিমার বিধায়ক সমীরকুমার জানা বলেন, ‘অতীতে নৌকা চালানোর ক্ষেত্রে তেল ও মোবিল নিয়ে অনেক টাকা খরচ পড়ে যেত। এক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, খুব কম খরচে ব্যাটারি চার্জ হয়ে যাচ্ছে। পরিবেশও দূষিত হচ্ছে না। বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হচ্ছে। সাফল্য মিললে ব্লকের বাকি সব খেয়াঘাটে ব্যাটারিচালিত নৌকা চালানো হবে।’ - নিজস্ব চিত্র
পাথরপ্রতিমার বিধায়ক সমীরকুমার জানা বলেন, ‘অতীতে নৌকা চালানোর ক্ষেত্রে তেল ও মোবিল নিয়ে অনেক টাকা খরচ পড়ে যেত। এক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, খুব কম খরচে ব্যাটারি চার্জ হয়ে যাচ্ছে। পরিবেশও দূষিত হচ্ছে না। বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হচ্ছে। সাফল্য মিললে ব্লকের বাকি সব খেয়াঘাটে ব্যাটারিচালিত নৌকা চালানো হবে।’ - নিজস্ব চিত্র



