নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নারকেলডাঙায় ছাগল ব্যবসায়ী ইফতিকার আহমেদ খানের চোখে স্প্রে করে কোটি টাকা লুটের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফায়জানকে গ্রেপ্তার করল লালবাজার। দক্ষিণ শহরতলি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই নিয়ে মোট তিনজন ধরা পড়ল। পলাতক আরও তিনজন। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে লালবাজার।
Advertisement
গত শনিবার সকাল ৯টা নাগাদ নারকেলডাঙা থানার এপিসি রোড ও রাজা রাজনারায়ণ স্ট্রিটের ক্রসিংয়ে দু’টি বাইকে করে এসে দুষ্কৃতীরা ছাগল ব্যবসায়ী ইফতিকারের হাতে ছুরি মারে। পাশাপাশি তাঁর চোখে স্প্রে করে ব্যাগপ্যাক নিয়ে পালায়। ওই ব্যাগে এক কোটি টাকা ছিল। কোটি টাকা লুটের অভিযোগ পেয়ে নারকেলডাঙা থানার পাশাপাশি লালবাজারের ডাকাতি দমন শাখার গোয়েন্দারা একযোগে তদন্তে নামেন।
প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃত ফায়জান এই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত। লুটের আগে ২১ দিন ধরে ছাগল ব্যবসায়ী ইফতিকার আহমেদ খানের গতিবিধির উপর নজরদারি চালাচ্ছিল ফায়জান। তপসিয়ার বাসিন্দা ধৃত নাসিরুল খান এই ছাগলপট্টিতে কাজ করে। নাসিরুলের মাধ্যমে ইফতিকার আহমেদ খানের লেনদেনের তথ্য পায় ফয়জান। তারপর দলবল জুটিয়ে রীতিমতো লুটের পরিকল্পনা করে সে। বিহারের বাসিন্দা হলেও গত দু’-তিন বছর ধরে সে তপসিয়া থানা এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছিল। ধৃতের বিরুদ্ধে অতীতে কোনও অপরাধের অভিযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা।
প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃত ফায়জান এই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত। লুটের আগে ২১ দিন ধরে ছাগল ব্যবসায়ী ইফতিকার আহমেদ খানের গতিবিধির উপর নজরদারি চালাচ্ছিল ফায়জান। তপসিয়ার বাসিন্দা ধৃত নাসিরুল খান এই ছাগলপট্টিতে কাজ করে। নাসিরুলের মাধ্যমে ইফতিকার আহমেদ খানের লেনদেনের তথ্য পায় ফয়জান। তারপর দলবল জুটিয়ে রীতিমতো লুটের পরিকল্পনা করে সে। বিহারের বাসিন্দা হলেও গত দু’-তিন বছর ধরে সে তপসিয়া থানা এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছিল। ধৃতের বিরুদ্ধে অতীতে কোনও অপরাধের অভিযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা।



