Bartaman Logo
২৪ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দামি ফ্ল্যাটেই নজর ক্রেতাদের, বাজার বাড়ছে কলকাতাতেও

দামি ফ্ল্যাটই চাঙ্গা রাখছে আবাসনের বাজার। তাতে সাড়া দিচ্ছে কলকাতাও। ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে দেশের বড়ো শহরগুলিতে ফ্ল্যাট বিক্রির পরিসংখ্যানকে ভিত্তি করে রিপোর্ট পেশ করেছে ক্রেডিট রেটিং সংস্থা কেয়ারএজ।

দামি ফ্ল্যাটেই নজর ক্রেতাদের, বাজার বাড়ছে কলকাতাতেও
  • ২৪ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দামি ফ্ল্যাটই চাঙ্গা রাখছে আবাসনের বাজার। তাতে সাড়া দিচ্ছে কলকাতাও। ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে দেশের বড়ো শহরগুলিতে ফ্ল্যাট বিক্রির পরিসংখ্যানকে ভিত্তি করে রিপোর্ট পেশ করেছে ক্রেডিট রেটিং সংস্থা কেয়ারএজ। সেখানে তারা দাবি করেছে, কলকাতায় আবাসনের বাজার বেড়েছে গত বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের নিরিখে পাঁচ শতাংশ।

Advertisement

রিপোর্টটি জানাচ্ছে, বিগত  বছরগুলির মধ্যে আবাসন শিল্পে সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল করোনাকালে। দেশের বড়ো শহরগুলিতে আবাসনের বাজার ৪০ শতাংশ পর্যন্ত নেমে গিয়েছিল লকডাউন ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের জেরে। ২০২২ সাল থেকে পরিস্থিতি ভালো হতে শুরু করে এবং তখন করোনা পূর্ববর্তী সময়ে ফিরে যায় আবাসনের বাজার। ২০২৩ সালে বাজার বেশ ভালো হয়। কিন্তু সেই সময় থেকে আয়ত্তের মধ্যে বাড়ি বা তুলনামূলক কম দামের ফ্ল্যাট ছেড়ে দামি ফ্ল্যাটের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেন ক্রেতারা। সেই ঢেউ এসে লাগে কলকাতার আবাসন বাজারেও। কেয়ারএজের তথ্য বলছে, ২০২২ সালের প্রথম তিন মাসে দেশের বড়ো শহরগুলিতে যে সংখ্যক ফ্ল্যাট বিক্রি হয়েছিল, তার ৮৫ শতাংশ ছিল দেড় কোটি টাকার নীচে। দেড় থেকে চার কোটি টাকার মধ্যে ছিল ১৪ শতাংশ ফ্ল্যাট। মাত্র এক শতাংশ ফ্ল্যাট ছিল তার চেয়ে বেশি দামের। ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে দেড় কোটি টাকার নীচের দামের ফ্ল্যাট বিক্রির হার ৮৫ শতাংশ থেকে নেমে আসে ৫৭ শতাংশে। দেড় থেকে চার কোটি টাকার ফ্ল্যাটের হার বেড়ে হয় ৩৪ শতাংশ। তার চেয়ে দামি ফ্ল্যাট বিক্রির ছিল ন’শতাংশ। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে পরিস্থিতি আরও বদলে গিয়েছে। ওই সময়ে দেড় কোটি টাকার নীচের ফ্ল্যাট বিক্রির হার নেমে এসেছে ৪৭ শতাংশে। দেড় থেকে চার কোটি টাকার মধ্যে দামের ফ্ল্যাটের বিক্রির হার হয়েছে ৪৪ শতাংশ। তারচেয়ে দামি ফ্ল্যাটের হার সেই ন’শতাংশই রয়েছে। 
কেয়ারএজের দাবি, যুদ্ধের কারণে বিশ্বে যে অর্থনৈতিক টালমাটাল চলছে, তাতে সার্বিকভাবে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়ায়, তার প্রভাব পড়েছে আবাসন শিল্পেও। পরিবহণ ও কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাড়ি তৈরির খরচ বেড়েছে ২ থেকে ৩ শতাংশ। তারপরও সার্বিকভাবে বাজার উপরের দিকে। ক্রেডিট রেটিং সংস্থাটির দাবি, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চের নিরিখে এবছরের একই সময়ে কলকাতায় আবাসনের সার্বিক বাজার বেড়েছে পাঁচ শতাংশ। বেঙ্গালুরুরও বৃদ্ধির হার কলকাতার সমান। সবচেয়ে বেশি বাজার বৃদ্ধি পেয়েছে চেন্নাইতে, ৯ শতাংশ হারে। বাজার খারাপ গিয়েছে পুনে, দিল্লি ও মুম্বইয়ে। সেখানে বাজার হারানোর হার যথাক্রমে ১১, ১১ ও ৭ শতাংশ। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ