Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মধ্যমগ্রামের প্রাইমারি স্কুলে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী ব্যবসায়ী

মধ্যমগ্রামের বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ প্রাইমারি স্কুলে ব্যবসায়ী পরিমল দাস আত্মঘাতী হলেন। দীর্ঘদিনের আর্থিক সঙ্কটে ভুগছিলেন তিনি। বিস্তারিত পড়ুন।

মধ্যমগ্রামের প্রাইমারি স্কুলে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী ব্যবসায়ী
  • ৯ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: স্কুলের ভিতরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক ব্যবসায়ী। সোমবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যমগ্রাম পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ প্রাইমারি স্কুলে। মৃতের নাম পরিমল দাস (৬০)। তিনি ইট, বালি ও সিমেন্ট সরবরাহের ব্যবসা করতেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে স্কুলের একটি ঘরের ভিতরে পরিমলবাবুর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। মৃতের বাড়ি থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করেছে তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা।

Advertisement

পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবসায় মন্দার কারণে আর্থিক সঙ্কটে ভুগছিলেন পরিমলবাবু। ব্যবসা কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মহাজনদের বকেয়া মেটাতে সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি। সংসারের খরচের পাশাপাশি দুই মেয়ের পড়াশোনার ব্যয় সামলাতেও হিমশিম খেতে হচ্ছিল। সেই চাপ থেকেই তিনি বেশ কিছুদিন ধরে অবসাদে ভুগছিলেন বলে পরিবারের দাবি।
এদিকে, স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ প্রাইমারি স্কুলে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান হওয়ায় স্কুলের একাধিক চাবি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে থাকে। একটি চাবি প্রধান শিক্ষকের কাছে, একটি মিড-ডে মিল কর্মীদের কাছে এবং আরও একটি চাবি এলাকায় রাখা থাকে। তদন্তকারীদের অনুমান, ওই তৃতীয় চাবিটি পরিমলবাবুদের বাড়িতেই ছিল। সেই চাবি ব্যবহার করেই তিনি স্কুলে ঢুকেছিলেন। পুলিশের দাবি, রাতে স্কুলে প্রবেশের পর একটি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন পরিমলবাবু। পরিবারের দাবি, উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে লেখা রয়েছে, অভাব-অনটনের জন্য আমি এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম। আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। এদিকে পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

সম্পর্কিত সংবাদ