Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বর্ধমানে প্রেমিকের সঙ্গে অশান্তি করে বধূ আত্মঘাতী

প্রেমিকের সঙ্গে অশান্তি করে বর্ধমান শহরের মিরছোবায় জাতীয় সড়কে গাড়ির সামনে ঝাঁপ দিয়ে এক গৃহবধূ আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতার নাম বর্ষা সিং(২০)।

বর্ধমানে প্রেমিকের সঙ্গে অশান্তি করে বধূ আত্মঘাতী
  • ৮ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বর্ধমান: প্রেমিকের সঙ্গে অশান্তি করে বর্ধমান শহরের মিরছোবায় জাতীয় সড়কে গাড়ির সামনে ঝাঁপ দিয়ে এক গৃহবধূ আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতার নাম বর্ষা সিং(২০)। তাঁর বাড়ি বর্ধমান শহরের আঁজিরবাগানে। শহরেরই তেজগঞ্জ এলাকায় তাঁর বাপেরবাড়ি। বছর পাঁচেক আগে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁর একটি মেয়ে আছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ছোটনীলপুর এলাকার এক যুবকের সঙ্গে বর্ষার ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়ার পর তিনি ঘর থেকে বের হন। শুক্রবার ভোরে প্রেমিক ফোন করে। মৃতার দাদা রাহুল সিং বলেন, বোনের সম্পর্কের কথা জানা ছিল না। এদিন ভোরে প্রেমিক বাড়িতে ফোন করে জানায়, বোন গাড়ির সামনে ঝাঁপ দিয়েছে। দু’জনের মধ্যে অশান্তির কারণেই বোন আত্মঘাতী হয়েছে বলে আমাদের অনুমান। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানা।

Advertisement

বর্ধমানে প্রৌঢ়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু: বর্ধমান শহরের কালীবাজারে এক প্রৌঢ়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতার নাম জয়া চট্টোপাধ্যায়(৫৪)। শুক্রবার সকালে তাঁকে ঘরের ভিতর ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন পরিবারের লোকজন। তড়িঘড়ি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর আত্মহত্যার কারণ নিয়ে পরিবারের লোকজন ধন্দে রয়েছেন।
মেমারিতে যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু: মেমারি থানার বড় পলাশনে এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম বিশ্ব‌঩জিৎ দাস(২৪)। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে কিছুদূরে একটি বাগানের ভিতর তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিস দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে পুলিসের অনুমান।
চাকরি হারিয়ে যুবক আত্মঘাতী: কাজ হারিয়ে মানসিক অবসাদে ভেঙে পড়ে কীটনাশক খেয়ে এক যুবক আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতের নাম অভিজিৎ চৌধুরী(২৭)। রায়না থানার উচালনে তাঁর বাড়ি। তিনি বর্ধমান শহরের বীরহাটা এলাকায় একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের কর্মী ছিলেন। দিনকয়েক আগে তিনি বীরহাটার ভাড়াবাড়িতে কীটনাশক খান। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি মারা যান। মৃতের দাদা জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন, ভাই ওই ব্যাঙ্কে চাকরি করত। মাসখানেক আগে ওর ব্যাঙ্কের কাজ চলে যায়। এতে ভাই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। তার জেরেই ও আত্মঘাতী হয়েছে।
ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত্যু: বর্ধমান শহরের তেলিপুকুর এলাকায় ডাম্পারের ধাক্কায় এক সব্জি বিক্রেতার মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম গোপাল দাস(৪৯)। তাঁর বাড়ি বর্ধমান শহরের বড়নীলপুরের সুকান্তপল্লি এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি পিকআপ ভ্যানে সব্জি নিয়ে যাচ্ছিলেন। তেলিপুকুরের কাছে একটি ডাম্পার পিকআপ ভ্যানটিকে ধাক্কা মারে। তাতে তিনি গুরুতর জখম হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ