Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাউড়িয়া ও বাগনানে কোটি টাকারও বেশি গাঁজা উদ্ধার

বাউড়িয়া ও বাগনানে কোটি টাকারও বেশি গাঁজা উদ্ধার
  • ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: বুধবার রাতে হাওড়া গ্রামীণ জেলার বাউড়িয়া ও বাগনান থেকে প্রায় ৭৭২ কেজি গাঁজা উদ্ধার হল। এর মধ্যে বাউড়িয়া থানার কাজিরচড়া অশ্বথতলা থেকে ৭১২ কেজি এবং বাগনানের পিপুল্যান এলাকা থেকে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধর হয়। পুলিস সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া গাঁজার বাজারমূল্য এক কোটি টাকার বেশি। ঘটনায় কাজিচড়া থেকে শেখ মাজেদ আলি এবং পিপুল্যান থেকে শেখ সাকিউল আলি ওরফে আরবাজ নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার বিকেলে সিআইডির স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ, নারকোটিক শাখা এবং বাউড়িয়া থানা কাজিরচড়া অশ্বথতলার বাসিন্দা শেখ মাজেদ আলির বাড়িতে হানা দেয়। মাজেদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৭১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে পুলিস। পাশাপাশি মাজেদের দু’টি গাড়ি এবং তিনটি মোবাইলও বাজেয়াপ্ত করে পুলিস। সূত্রের খবর, মাজেদের বাড়ির নীচের তলায় একটি ঘরের মেঝের নীচে একটি জায়গা এবং গোপন লোহার কুঠরি থেকে এই বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। সিআইডি সূত্রে খবর, এই বিপুল পরিমাণ গাঁজা মাজেদ ওড়িশা থেকে কিনেছিলেন। 
Advertisement
এদিন হাওড়া গ্রামীণ জেলার ডেপুটি পুলিস সুপার (ডি অ্যান্ড টি) এবং উলুবেড়িয়ার এসডিপিও (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) মহম্মদ জসিমের উপস্থিতিতে পুরো তল্লাশি প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করা হয়। এর আগেও মাজেদকে মাদক পাচারের অভিযোগে পুলিস গ্রেপ্তার করেছিল। করিমপুর থানাতেও মাদক পাচারের মামলায় তাঁর নামে ওয়ারেন্ট আছে।
অন্যদিকে, বুধবার বিকেলে বাগনানের পিপুল্যানের বাসিন্দা সেখ মানোয়ার হোসেনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় বাগনান থানার পুলিস। সেখান থেকে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় শেখ সাকিউল আলি ওরফে আরবাজ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে পুলিস জানতে পারে যে, সাকিউল মানোয়ারের বাড়িতে গাঁজা সংগ্রহ করতে যাচ্ছে। সেই মতো পুলিস সেখানে পৌঁছে যায়। 
বিষয়টি আঁচ করতে পেরে দু’জনে পালানোর চেষ্টা করে। মনোয়ার পালাতে সক্ষম হলেও সাকিউল ধরা পড়ে যায়। পুলিস তদন্তে জানতে পেরেছে, বাগনান এলাকায় গাঁজা পাচারের মূল পাণ্ডা ফিরোজ আলি। মানোয়ার তার ম্যানেজার। ফিরোজের পাশাপাশি মানোয়ারের বাড়িতেও গাঁজা মজুত আছে। সেই মতো পুলিস ফিরোজের বাড়িতে যায়। কিন্তু পুলিস আসার খবর পেয়ে বাড়িতে তালা দিয়ে চম্পট দেয় সে। ফিরোজের ঘরের সামনে পুলিস পিকেট বসানো হয়েছে। এই তল্লাশির সময় হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিসের ডেপুটি পুলিস সুপার ছাড়াও বাগনান থানার আইসি অভিজিৎ দাস এবং বাগনান ২ ব্লকের বিডিও নেহাল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। ফিরোজ এবং মানোয়ারের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিস।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ