কাবুল: মহিলাদের একা বাড়ির বাইরে পা রাখা নিষিদ্ধ হয়েছিল আগেই। এবার তাঁদের জানলাটুকুও বন্ধ করে দিতে চলেছে আফগানিস্তানের তালিবান শাসকরা। রবিবার নতুন একটি ফতোয়া জারি করেছেন তালিবান প্রধান হিবাতুল্লা আখুন্দজাদা। যেখানে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বাইরে থেকে মহিলাদের দেখা যায় এমন কোনও জানলা বাড়িতে রাখা যাবে না। অবিলম্বে পাঁচিল তুলে তা বন্ধ করে দিতে হবে। নিয়ম না মানলে পড়তে হবে কড়া শাস্তির মুখে।
Advertisement
প্রত্যেক বাড়ির জানলা বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষে অদ্ভূত যুক্তি দিয়েছেন আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, বাড়িতে থাকা মহিলাদের কোনও বাইরের কোনও পুরুষ দেখলে অশ্লীলতা দেখা দিতে পারে। যা থেকে বাড়ে অপরাধ প্রবণতা। পুরনো ও নতুন—দু’ধরনের বাড়ির ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য হবে। স্থানীয় প্রশাসনকে এই বিষয়ে কড়া নজর রাখতে বলা হয়েছে।
এখানেই শেষ নয়, মহিলা কর্মী নিয়োগ বন্ধ করার জন্য স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির উপরে চাপ বাড়াল সে দেশের প্রশাসন। এই নির্দেশ না মানলে এনজিওগুলির লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
২০২১ সালে ক্ষমতা পুনঃদখলের পর থেকেই আফগানিস্তানে মহিলাদের গৃহবন্দি করেছে তালিবানরা। ষষ্ঠ শ্রেণির পর মেয়েদের পড়াশোনায় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। বন্ধ হয়েছে চাকরির দরজা। এছাড়াও রয়েছে বহু কঠোর নিয়ম-কানুন। অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তালিবানরা নাক গলাচ্ছে বলে এর আগে একাধিকবার সরব হয়েছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। চলতি মাসেই রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, আফগানিস্তানে মানবাধিকার সংগঠনের পুরুষ ও মহিলাদের কর্মীদের কাজ করতে দিচ্ছে না নীতি পুলিস।
এখানেই শেষ নয়, মহিলা কর্মী নিয়োগ বন্ধ করার জন্য স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির উপরে চাপ বাড়াল সে দেশের প্রশাসন। এই নির্দেশ না মানলে এনজিওগুলির লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
২০২১ সালে ক্ষমতা পুনঃদখলের পর থেকেই আফগানিস্তানে মহিলাদের গৃহবন্দি করেছে তালিবানরা। ষষ্ঠ শ্রেণির পর মেয়েদের পড়াশোনায় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। বন্ধ হয়েছে চাকরির দরজা। এছাড়াও রয়েছে বহু কঠোর নিয়ম-কানুন। অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তালিবানরা নাক গলাচ্ছে বলে এর আগে একাধিকবার সরব হয়েছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। চলতি মাসেই রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, আফগানিস্তানে মানবাধিকার সংগঠনের পুরুষ ও মহিলাদের কর্মীদের কাজ করতে দিচ্ছে না নীতি পুলিস।



