Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাড়িতে বসে কৃষক সংগঠন হয় না, তৃণমূল কর্মীদের বার্তা পূর্ণেন্দুর

বাড়িতে বসে কৃষক সংগঠন হয় না, তৃণমূল কর্মীদের বার্তা পূর্ণেন্দুর
  • ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: ঘরে বসে কৃষক ও খেতমজুর সংগঠন করা যাবে না। তারজন্য খেত-খামারে ঘুরতে হবে। রবিবার কিষান ও খেতমজদুর তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি পূর্ণেন্দু বসু একথা বলেন। এদিন দুপুরে বাঁকুড়া শহরের জুনবেদিয়া বাইপাসে সংগঠনের প্রথম জেলা সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে পূর্ণেন্দুবাবু আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার কৃষক বন্ধু সহ একাধিক প্রকল্প চাষিদের উন্নয়নের জন্য নিয়েছেন। মাঠেঘাটে চাষিদের মধ্যে তার প্রচার করতে হবে। তবেই সংগঠন মজবুত হবে।
Advertisement
এদিনের সম্মেলনে বাঁকুড়া জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী, সংগঠনের জেলা সভাপতি শঙ্কর চক্রবর্তী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এদিনের সম্মেলনে প্রায় এক হাজার প্রতিনিধি যোগ দেন। অসুস্থ থাকায় পূর্ণেন্দুবাবু চেয়ারে বসেই বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, কৃষক ছাড়া দেশ চলবে না। চাষিরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল ফলিয়ে থাকেন। সেই কারণেই আমরা দু’বেলা খেতে পাই। অথচ বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার কৃষক স্বার্থ বিঘ্নিত হয়, এমন কাজ একের পর এক করছে। চাষিদের বিরুদ্ধে গিয়ে বিজেপি পরেরবার আর কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তারপরেই তিনি ব্লকস্তরের সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে বলেন, বাঁকুড়াতেও কোনও জনপ্রতিনিধি কৃষক স্বার্থবিরোধী কাজ করলে জেলা নেতৃত্বকে জানাবেন। প্রয়োজনে বিষয়টি জেলার নেতারা রাজ্যে জানাবেন। দল ব্যবস্থা নেবে। কৃষক বন্ধু প্রকল্পে বছরে দু’টি কিস্তিতে রাজ্য ১০ হাজার টাকা করে দেয়। কৃষকের অকাল প্রয়াণেও পরিবারের লোকজন দু’লক্ষ টাকা আর্থিক ক্ষতিপূরণ পেয়ে থাকে। কেউ ওই সুবিধা থেকে যাতে বঞ্চিত না হয়, তা সংগঠনের নেতাকর্মীদের দেখতে হবে। তারজন্য বাড়িতে বসে থাকলে হবে না। খেত-খামারে নেমে সংগঠন মজবুত করতে হবে। 
অরূপবাবু বলেন, কৃষক ও খেতমজুররা গত কয়েকটি নির্বাচনে আমাদের দু’হাত তুলে আশীর্বাদ দিয়েছে। ফলে তাদের জন্য নিরলসভাবে কাজ করতে হবে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আমরা জেলার ১২টি আসনেই ভালো ফল করতে চলেছি। সেই ফলে কৃষক ও খেতমজুরদের বড় ভূমিকা থাকবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ