Bartaman Logo
২০ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিষ্ণুপুরে টুসুগানে সরকারি প্রকল্পের প্রচার  

বিষ্ণুপুরে টুসুগানে সরকারি প্রকল্পের প্রচার
 
  • ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদদাতা, বিষ্ণুপুর: সোমবার বিষ্ণুপুরের যমুনাবাঁধে টুসু গানের মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের প্রচারে নামলেন শিল্পীরা। এদিন দুপুর থেকে যমুনাবাঁধের ঘাটে মহিলারা চৌদল নিয়ে দলবেঁধে গান গাওয়া শুরু করেন। গানের মধ্যে সরকারি প্রকল্পকে তুলে ধরেন। তা দেখতে যমুনাবাঁধের ঘাটে অনেকেই ভিড় জমান। কন্যাশ্রী, রূপশ্রী থেকে শুরু করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে তৈরি গান শিল্পীরা পরিবেশন করেন।  
Advertisement
শিল্পীরা বলেন, আমরা প্রতিবছর মকরসংক্রান্তির আগের দিন সারারাত ধরে চৌদলে টুসু পুজো করি। টুসু গান গাওয়া হয়। এবারে দুপুর থেকেই আমরা চৌদল নিয়ে বেরিয়ে পড়ি। যমুবাঁধের ঘাটে টুসুর চৌদলকে ঘিরে সকলে মিলে  গান গাই। গানের মাধ্যমে সরকারি প্রকল্পের প্রচার করা হয়। 
সরকারি প্রকল্প নিয়ে একাধিক টুসু গান বেঁধে শিল্পীদের হাতে তুলে দিয়েছেন বিষ্ণুপুর পুরসভার প্রাক্তন প্রশাসক দিব্যেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, রাঢ় বঙ্গে একসময় টুসু গান ভীষণ জনপ্রিয় ছিল। কালের নিয়মে তা এখন হারাতে বসেছে। তবুও শহরের বেশ কিছু প্রবীণ মহিলা তা টিকিয়ে রেখেছেন। তবে টুসু গানের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ তৈরি করতে গানে গানে সরকারি প্রকল্পের প্রচারের কথা বলানোর চেষ্টা করেছি। তাতে টুসু গানে কিছুটা অভিনবত্ব এসেছে। এই প্রজন্মের মহিলারা তাতে বেশ আকৃষ্ট হয়েছেন। 
এদিন যমুনাবাঁধের পাড়ে বসে টুসু গান গাওয়ার ফাঁকে শিল্পী বনশ্রী বাউরি বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকেই মা, কাকিমাদের টুসু গান করতে দেখেছি। বছরের পর বছর ধরে একই গান গাইতে শুনেছি। বর্তমানে সরকারি প্রকল্পের প্রচার সংক্রান্ত কিছু টুসু গান বাঁধা হয়েছে। ওই গানগুলি গেয়ে ভালোই লাগছে। মানুষও আগ্রহ ভরে তা শুনছে। সম্প্রতি বিষ্ণুপুরে টুসু গানের এক প্রতিযোগিতায় এমনই গান গেয়ে আমরা প্রথম হয়েছি। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ