সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: বংশীহারিতে অপহরণের ঘটনায় অভিযুক্তের বাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার। তদন্তে মিলল সাইবার জালিয়াতির হদিস। অপহরণকারীর নাম হামিদুর রহমান। বাড়ি গঙ্গারামপুর থানা এলাকায়। বংশীহারি থানার পুলিস তদন্তে নেমে অপহরণকারীর বাড়ির পাশ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও তিনটি বুলেট উদ্ধার করেছে রবিবার রাতে। এদিন অভিযুক্তকে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তোলে পুলিস। বংশীহারি পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বংশীহারির ডিটোল এলাকার যুবক রাফসান জানিকে অপহরণ করে হামিদুর। অপহৃতের পরিবারের কাছে ১৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চায় অভিযুক্ত হামিদুর। অভিযোগ পেয়ে বংশীহারি থানার পুলিস মালদহের গাজোল থেকে অপহৃত যুবক রাফসানকে উদ্ধার করে। এবং অভিযুক্ত অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করে।
Advertisement
পুলিসের ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখে অভিযুক্ত জানায়, বংশীহারির এক যুবকের কথায় অপহরণ করেছিল রাফসানকে। কিন্তু গত বুধবার অপহরণের ঘটনায় নতুন মোড় আসে। যাকে অপহরণ করে রাখা হয়, তার বিরুদ্ধেই বালুরঘাট থানায় সাইবার জালিয়াতি ও অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। বংশীহারি থেকেই গ্রেপ্তার হয় যুবক। পুরনো লেনদেনের ঘটনায় অপহরণের নাটকের হদিশ পায় পুলিস। বংশীহারির অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিস। সাইবার জালিয়াত রাফসান জানি আদালতের নির্দেশে জেল হেফাজতে রয়েছে। বালুরঘাট সাইবার থানা আবারও পুলিস হেফাজতে নিয়ে জালিয়াতির তদন্তের কিনারা করবে।
এদিকে বংশীহারি থানায় অপহরণের ঘটনায় ৭ দিনের পুলিস হেফাজতে রয়েছে অপহরণকারী হামিদুর রহমান। পুরো ঘটনার তদন্ত করে দেখছে পুলিস। বংশীহারি থানার আইসি অসীম গোপ বলেন, অপহরণের ঘটনায় অভিযুক্তের বাড়ি থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। পুরো বিষয়টি পুরনো লেনদেনের ঘটনা। যে অপহরণ হয়েছিল, তার বিরুদ্ধেই সাইবার জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। সেও গ্রেপ্তার হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে।
এদিকে বংশীহারি থানায় অপহরণের ঘটনায় ৭ দিনের পুলিস হেফাজতে রয়েছে অপহরণকারী হামিদুর রহমান। পুরো ঘটনার তদন্ত করে দেখছে পুলিস। বংশীহারি থানার আইসি অসীম গোপ বলেন, অপহরণের ঘটনায় অভিযুক্তের বাড়ি থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। পুরো বিষয়টি পুরনো লেনদেনের ঘটনা। যে অপহরণ হয়েছিল, তার বিরুদ্ধেই সাইবার জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। সেও গ্রেপ্তার হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে।



