রূপাঞ্জনা দত্ত, লন্ডন: লালসার শিকার বানাতে শিশু ও মেয়েদের প্রস্তুত করছে একদল পাকিস্তানি যুবক। দীর্ঘদিন ধরে ব্রিটেনে এ সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ উঠে আসছে। তবুও নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে প্রশাসন। এবার জাতীয় স্তরে তদন্তের আর্জি জানাল হিন্দু কাউন্সিল ইউকে। বুধবার প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন কনজারভেটিভ নেত্রী কেমি ব্যাডেনচ। অভিযোগ, পরোক্ষে এই ধরনের অসাধু চক্রের সদস্যদের আড়াল করার চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অবশ্য পাল্টা দাবি, আগেই পাক বংশোদ্ভূত বেশ কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে তদন্ত চালানো হয়েছে। নতুন পদক্ষেপ নিলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া। ইতিমধ্যে শিশু কল্যাণ ও স্কুল সংক্রান্ত বিল সংশোধনের প্রস্তাব পেশ করেছে কনজারভটিভ পার্টি। হিন্দু কাউন্সিলের চেয়ারপার্সন কৃষ্ণ ভান বলেন, ‘২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে টাইমসের প্রতিবেদনে ব্রিটেনের বিভিন্ন শহরে চলতে থাকা এই অপরাধের খবর প্রথম প্রকাশ্যে আসে। তিন বছর পর তদন্তে হয়। তাতে জানা গিয়েছিল, শুধু একটি শহরেই প্রায় ১৪০০ শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার। শিশু ও মহিলাদের এই অপরাধের হাত থেকে রক্ষা করার দায়িত্ব সরকারের। প্রশাসনের কাছে আমাদের আর্জি, দেশজুড়ে তদন্ত করা হোক।’
Advertisement
রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৯৭ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে রদারহ্যামে ১ হাজার ৪০০ কিশোরী যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। একাধিকবার ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১১ বছরের কম বয়সি বালিকারা। তদন্তে জানা যায়, অধিকাংশ অভিযুক্ত পাক বংশোদ্ভূত। তারপরও তাঁদের ‘এশীয়’ কেন বলা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হিন্দু কাউন্সিল ইউকে।
ওল্ডহ্যামের ঘটনা লুকানোর দাবি ইতিমধ্যে খারিজ করে দিয়েছেন প্রফেসর অ্যালেক্সিস জে। ন্যাশনাল সোসাইটি ফর দ্য প্রিভেনশন অব ক্রুয়েলটি টু চিলড্রেনের এক মুখপাত্রের কথায়, ‘প্রতি বছর ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে প্রায় ৫ লক্ষ শিশু যৌন হেনস্তার শিকার। শিশু যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত নিরপেক্ষ তদন্তের (আইআইসিএসএ) চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা পড়েছে। রিপোর্ট দেখে দ্রুত কড়া পদক্ষেপ করুক সরকার।’ তবে বাস্তব সম্পূর্ণ আলাদা। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার জানান, আইআইসিএসএ’র দেওয়া ২০টি পরামর্শের মধ্যে একটিরও বাস্তবায়ন হয়নি। অর্থাৎ, পরোক্ষে পূর্বতন সরকারকে দুষেছেন তিনি। কুপার আরও জানান, চলতি বছরেই ক্রাইম অ্যান্ড পলিসিং বিল পেশ করা হবে। এক্ষেত্রে শিশুদের যৌন নির্যাতনের ঘটনা জানাানো বাধ্যতামূলক।
ওল্ডহ্যামের ঘটনা লুকানোর দাবি ইতিমধ্যে খারিজ করে দিয়েছেন প্রফেসর অ্যালেক্সিস জে। ন্যাশনাল সোসাইটি ফর দ্য প্রিভেনশন অব ক্রুয়েলটি টু চিলড্রেনের এক মুখপাত্রের কথায়, ‘প্রতি বছর ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে প্রায় ৫ লক্ষ শিশু যৌন হেনস্তার শিকার। শিশু যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত নিরপেক্ষ তদন্তের (আইআইসিএসএ) চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা পড়েছে। রিপোর্ট দেখে দ্রুত কড়া পদক্ষেপ করুক সরকার।’ তবে বাস্তব সম্পূর্ণ আলাদা। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার জানান, আইআইসিএসএ’র দেওয়া ২০টি পরামর্শের মধ্যে একটিরও বাস্তবায়ন হয়নি। অর্থাৎ, পরোক্ষে পূর্বতন সরকারকে দুষেছেন তিনি। কুপার আরও জানান, চলতি বছরেই ক্রাইম অ্যান্ড পলিসিং বিল পেশ করা হবে। এক্ষেত্রে শিশুদের যৌন নির্যাতনের ঘটনা জানাানো বাধ্যতামূলক।



