নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: প্রশাসনের উদ্যোগে বারাসত শহরে পার্কিং জোন তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। কিন্তু পর্যাপ্ত জমি না মেলায় হিমশিম খেতে হচ্ছে দপ্তরকে! ফলে অপেক্ষা ছাড়া আপাতত উপায় নেই বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।
Advertisement
বারাসত শহরের জনবসতি লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে যানবাহনের সংখ্যা। ফলে শহরে যানজটও বাড়ছে। জেলা সদর শহরে প্রতিদিনই যানবাহনের প্রচুর চাপ থাকে। কারণ এখানে রয়েছে জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। একটু ফাঁকা জায়গা পেলেই গাড়ি পার্কিং করে চলে যাচ্ছেন চালকরা। পাশাপাশি ফুটপাতও দখল হয়ে গিয়েছে। মূল রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতে হয় মানুষকে। ফলে যানজটের মাত্রাও লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে। যান নিয়ন্ত্রণ করে রাস্তায় চলাচল স্বাভাবিক রাখতে অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে পুলিস ও প্রশাসনকে। বিষয়টি দ্রুত সুরাহা করতে উদ্যোগী হয়েছে প্রশাসন। শহরে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি পার্কিং জোন করা হবে বলে সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন বারাসত পুলিস জেলার সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খারিয়া। কিন্তু, বারাসত শহরের মধ্যবর্তী এলাকায় তেমন কোনও সরকারি জমি নেই। প্রশাসনের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, শহরের মধ্যে পার্কিং জোন করার মতো জায়গা মিলছে না। তাছাড়া যে সমস্ত জায়গায় সরকারি জমি রয়েছে, সেখান থেকে শহর অনেকটাই দূরে। ফলে গাড়ি রেখে এসে কাজ মেটানো দায়। ওই সূত্রের আরও দাবি, সরকারি বড় জমি রয়েছে কাজিপাড়া, ময়না, জগদীঘাটা এলাকায়। কিন্তু তাও যথেষ্ট নয়। কিন্তু কেন্দ্রীয় জায়গায় পার্কিং জোন না করলে মানুষের সমস্যা বাড়বে। তাই, জমিজটের কারণে সদর শহরের পার্কিং জোন করতে কিছুটা হলেও বেগ পেতে হচ্ছে প্রশাসনকে। এ বিষয়ে বারাসত পুরসভার চেয়ারম্যান অশনি মুখোপাধ্যায় বলেন, জেলাশাসক ও পুলিসের পক্ষ থেকে পুরসভাকে জায়গা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। কিন্তু উপযুক্ত জায়গা মিলছে না। বিষয়টি নিয়ে আমরা দপ্তরেও জানিয়ে দিয়েছি। জেলা প্রশাসন জমি চিহ্নিত করে দিলেই পুলিসের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা পার্কিং চালু করে দেব। আমরাও চাই, দীর্ঘদিনের সমস্যা দূর হোক।



