নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: বর্ষা আসতে এখনও বহু দেরি। তবে তার জন্য অপেক্ষা করতে নারাজ বাঁশবেড়িয়া পুরসভা। তাই আগেভাগেই নিকাশি ব্যবস্থা সংস্কার করতে নামছে পুরসভা। মূলত, এই সময় পুর এলাকায় সাফাইকাজ ছাড়া অন্যান্য কাজ তেমন কিছু থাকে না। ফলে সাফাই কর্মীদের পাশাপাশি অন্যান্য বিভাগের অতিরিক্ত শ্রমিককে দিয়ে নিকাশি নালার গভীরে গিয়ে সংস্কারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে যেমন বাড়তি শ্রমিক পাওয়া যাবে, তেমনই তাড়াহুড়ো না থাকায় ধীরেসুস্থে পরিকল্পনামাফিক কাজ করা যাবে। এমনটাই ধারণা পুরকর্তাদের। ইতিমধ্যেই গভীর নালাগুলিকে বাছাই করে শ্রমিকদের কাজে নামানো হয়েছে। পুরকর্তারা জানিয়েছেন, মার্চ মাস পর্যন্ত সুংসহতভাবে নালা সংস্কার করা হবে। যাতে বর্ষার সময় কোথাও জল না জমে।
Advertisement
পুরসভার অন্দরমহল সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁশবেড়িয়া পুরসভার নিকাশি নালার বড় অংশ রেলের জমি ও একটি পুকুরের উপর দিয়ে গিয়েছে। গত দু’বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে আবেদন করলেও রেলের জমিতে থাকা পুকুর সংস্কার করা যায়নি। ফলে বাঁশবেড়িয়ায় প্রতি বর্ষায় জল জমে। পুরসভা চাইছে, শহরের গভীর নিকাশি নালাগুলির নাব্যতা বাড়াতে। যাতে নালাগুলি বেশি জল ধরে রাখতে পারে। বাঁশবেড়িয়া পুরসভার চেয়ারম্যান আদিত্য নিয়োগী বলেন, দুর্গাপুজো, কার্তিকপুজোর মতো সামাজিক উৎসব ও অনুষ্ঠান থাকলে পুরসভার শ্রমিকদের বাড়তি কাজ করতে হয়। শীতের বিদায় পর্বে নিত্যদিনের কাজ ছাড়া অন্য কাজের চাপ থাকে না। সেকারণে এই সময় আমরা নালাগুলি সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
সপ্তগ্রামের বিধায়ক তথা বাঁশবেড়িয়া পুরসভার তত্ত্বাবধায়ক তৃণমূল নেতা তপন দাশগুপ্ত বলেন, কার্যকারণ যাই হোক, বর্ষার আগে থেকেই প্রস্তুত থাকা ভালো। আমাদের মূল লক্ষ্য নাগরিকদের আরও ভালো পরিষেবা দেওয়া।
হুগলি জেলায় নিকাশি একটি বড় সমস্যা। অতীতে শহর লাগোয়া খাল-বিল, গ্রামীণ এলাকার কিছু পুকুর এবং গঙ্গায় নিকাশির জল ফেলা হতো। বর্তমানে গ্রামীণ এলাকায় জনঘনত্ব বেড়েছে। গঙ্গায় দূষিত জল ফেলা যাচ্ছে না। পুকুর, খাল-বিল মজে গিয়েছে। বাঁশবেড়িয়ার পরিস্থিতিও ভিন্ন নয়। এই অবস্থায় সময় থাকতে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন পুরকর্তারা। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবোচিত। সঠিকভাবে প্রয়োগ করলে এবারের বর্ষায় আর নাগরিকদের জমা জলের দুর্ভোগ পোহাতে হবে না।
সপ্তগ্রামের বিধায়ক তথা বাঁশবেড়িয়া পুরসভার তত্ত্বাবধায়ক তৃণমূল নেতা তপন দাশগুপ্ত বলেন, কার্যকারণ যাই হোক, বর্ষার আগে থেকেই প্রস্তুত থাকা ভালো। আমাদের মূল লক্ষ্য নাগরিকদের আরও ভালো পরিষেবা দেওয়া।
হুগলি জেলায় নিকাশি একটি বড় সমস্যা। অতীতে শহর লাগোয়া খাল-বিল, গ্রামীণ এলাকার কিছু পুকুর এবং গঙ্গায় নিকাশির জল ফেলা হতো। বর্তমানে গ্রামীণ এলাকায় জনঘনত্ব বেড়েছে। গঙ্গায় দূষিত জল ফেলা যাচ্ছে না। পুকুর, খাল-বিল মজে গিয়েছে। বাঁশবেড়িয়ার পরিস্থিতিও ভিন্ন নয়। এই অবস্থায় সময় থাকতে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন পুরকর্তারা। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবোচিত। সঠিকভাবে প্রয়োগ করলে এবারের বর্ষায় আর নাগরিকদের জমা জলের দুর্ভোগ পোহাতে হবে না।



