


কেওনঝড়, ২৮ এপ্রিল: আজব ঘটনার সাক্ষী থাকলো ওড়িশা কেওনঝড়। দিয়ানালি গ্রামের বাসিন্দা বছর পঞ্চাশের জিতু মুন্ডা। চলতি বছরের ২৬ শে জানুয়ারি তার দিদি কাকড়া মুন্ডা মারা যান। উড়িষ্যা গ্রামীণ ব্যাংকের মালিপোসি শাখায় তার একটি একাউন্ট ছিল। আর সেই একাউন্টে ছিল ১৯,৩০০ টাকা। এই টাকা তুলতেই জিতু যান ব্যাংকে। কিন্তু নমিনিতে তার নাম না থাকায় ব্যাংক জানায়, যার একাউন্ট তাকে নিয়ে আসতে হবে। বারবার ব্যাংকে গেলেও টাকা তুলতে ব্যর্থ হন জিতু। এদিকে কাকড়া মুণ্ডার একাউন্টের যিনি নমিনি ছিলেন তিনিও আগেই মারা গেছেন। ফলে মৃত দিদির নিকট আত্মীয় বলতে জীবিত একমাত্র জিতুই। আর এর পরেই এক অদ্ভুত কান্ড ঘটান তিনি। দিদি যে মৃত তা প্রমাণ করতে কবর খুঁড়ে দিদির কঙ্কাল বের করে আনেন তিনি। এরপরে সেই কঙ্কাল কাঁধে করে প্রায় তিন কিলোমিটার হেঁটে ব্যাংকে পৌঁছান জিতু। শোরগোল পড়ে যায় ব্যাংকে। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ এসে গোটা ঘটনা শুনে শান্ত করেন জিতুকে। তাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় মানবিকভাবে দেখা হবে গোটা ঘটনা এবং মেটানো হবে তার সমস্যা। সংবাদমাধ্যমকে জিতু জানিয়েছেন, তিনি বহুবার ব্যাংকে গিয়েছিলেন। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ প্রতিবারই যার নামে একাউন্ট তাকে আনতে বলেছিল। বারবার তিনি বলেছেন দিদি মারা গেছেন। কিন্তু তাতে কান দেয়নি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এরপর বিরক্ত হয়ে তিনি দিদির মৃত্যুর প্রমাণ দিতে এই কাণ্ড করেছেন।