সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর : ভরা বর্ষার মাঝেই কৃষ্ণনগরের নিমতলা থেকে পালপাড়া যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি এখন চরম দুর্ভোগ ও আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে একাধিক পথবাতি বিকল থাকায় সন্ধ্যা নামলেই পুরো এলাকা ঘন অন্ধকারে ঢেকে যায়।তার ওপর রাস্তার পাশেই রয়েছে বড় পুকুর, ঝোপঝাড় এবং ফাঁকা জায়গা। ফলে বর্ষাকালে সাপের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই চরম ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে যাতায়াত করতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
বেশিরভাগ এলাকাবাসী বলেন, বর্ষার সময় জল জমা, আগাছা এবং স্যাঁতসেঁতে পরিবেশের কারণে দিনের বেলাতেও মাঝেমধ্যে রাস্তার উপর দিয়ে বিভিন্ন ধরনের সাপ চলাচল করতে দেখা যায়। দিনের আলোয় সাপ চোখে পড়লেও রাতের অন্ধকারে সেই সুযোগ থাকে না। পথবাতি বিকল থাকায় রাস্তা প্রায় সম্পূর্ণ অন্ধকারে ডুবে থাকে। ফলে যেকোনো মুহূর্তে অসাবধানতাবশত সাপের কামড় খেতে হবে।
এলাকাবাসীর দাবি, বেশ কিছুদিন ধরে একাধিক সাপ চোখে পড়েছে। তাই সন্ধ্যা নামলেই পথবাতি খারাপ থাকায় গোটা এলাকা অন্ধকার হয়ে গেলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। তাই বাধ্য হয়ে অনেকেই রাতের বেলায় বের হলে টর্চ বা মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন।
এ বিষয়ে ভাতজাংলা পঞ্চায়েতের প্রধান বাবলু মন্ডল বলেন, রাস্তার লাইটের অসুবিধা গুলি স্থানীয় মানুষ আমাদের জানালে সুবিধা হয়। ইলেকট্রিক জিনিস জলেই সবচেয়ে বেশি খারাপ হয়ে যায়।আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।
চন্দনা দাস নামে এক গৃহবধূ বলেন, বর্ষাকালে আলো না থাকলে খুবই সমস্যা। এতে পোকামাকড়ের উপদ্রবও বেড়ে যায়। অন্ধকারে মশা, বিভিন্ন বিষাক্ত পোকা ও অন্যান্য কীটপতঙ্গের কামড়ের আশঙ্কাও থাকে। পাশে পুকুর থাকায় সাপের আনাগোনা তো আছেন। ফলে সন্ধ্যার পর এই রাস্তা ব্যবহার করা যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ । আর এক বাসিন্দা গৌর মন্ডল বলেন, অনেকদিন ধরে লাইটগুলো খারাপ হয়ে পড়ে আছে। ঠিকই করে না। অন্ধকারে চলাচল করতে সকলেরই সমস্যা। কীটপতঙ্গের ভয় তো আছেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশা, প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। -নিজস্ব চিত্র