নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ব্রিজের নীচে গার্ডওয়ালের একটি অংশ কেটে উড়িয়ে দিয়ে সেখানে দোকান বসানো হয়েছে। এই নিয়ে শোরগোল পড়ল ভাঙড়ে। কাঠগড়ায় স্থানীয় এক ব্যবসায়ী। বিষয়টি শুধু দুঃসাহসিক নয়, সেই সঙ্গে ভয়ঙ্করও। কারণ এজন্য ব্রিজে যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
Advertisement
অভিযোগ, সোমবার রাতে স্থানীয় ব্যবসায়ী আলি মোল্লা নতুন দোকান করার জন্য শোনপুর ব্রিজের গার্ডওয়ালের কিছুটা অংশ ভেঙে দেন। শুধু তাই নয়, লোহার শাটার বসানোর জন্য ব্রিজের পিলারেও তিনি একাধিক ড্রিল করেছেন বলে অভিযোগ। রাতে ওই ঘটনা জানাজানি হতেই উত্তর কাশীপুর থানার পুলিস ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। তারা আলি মোল্লাকে আটক করেছে।
এই কাণ্ড দেখে অবাক পূর্তদপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা। খবর পেয়ে তাঁরাও রাতে এসে একপ্রস্থ পরিদর্শন করেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা। এদিকে ওই ব্যবসায়ী বলেন, ব্রিজের একাংশ নয়, একটি দেওয়ালের কিছুটা ভাঙা হয়েছে। তাঁর এমন কাজ ও বক্তব্যে রীতিমত ফুঁসছেন এলাকাবাসীরা। কার অনুমতিতে তিনি এই কাজ করেছেন, তা নিয়ে অবশ্য মুখ খুলতে নারাজ আলি।
বাম আমলে তৈরি এই ব্রিজ শুধু ভাঙড় নয়, হাড়োয়া, মিনাখাঁ,বারুইপুর এবং কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অন্যতম মাধ্যম। এটি তৈরি করার সময় যেসব ব্যবসায়ীকে পুনঃর্বাসন দেওয়া হয়েছিল, তাঁরাই মূলত দোকান চালান সেতুর নীচে। এতদিন কেউ কখনও এমন কাজ করেননি।
এদিকে এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে ভাঙড়ে। আইএসএফের অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের মদতে ওই ব্যবসায়ী ব্রিজের ক্ষতি করার দুঃসাহস দেখিয়েছেন। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল নেতৃত্বের
দাবি, এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। -নিজস্ব চিত্র
এই কাণ্ড দেখে অবাক পূর্তদপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা। খবর পেয়ে তাঁরাও রাতে এসে একপ্রস্থ পরিদর্শন করেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা। এদিকে ওই ব্যবসায়ী বলেন, ব্রিজের একাংশ নয়, একটি দেওয়ালের কিছুটা ভাঙা হয়েছে। তাঁর এমন কাজ ও বক্তব্যে রীতিমত ফুঁসছেন এলাকাবাসীরা। কার অনুমতিতে তিনি এই কাজ করেছেন, তা নিয়ে অবশ্য মুখ খুলতে নারাজ আলি।
বাম আমলে তৈরি এই ব্রিজ শুধু ভাঙড় নয়, হাড়োয়া, মিনাখাঁ,বারুইপুর এবং কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অন্যতম মাধ্যম। এটি তৈরি করার সময় যেসব ব্যবসায়ীকে পুনঃর্বাসন দেওয়া হয়েছিল, তাঁরাই মূলত দোকান চালান সেতুর নীচে। এতদিন কেউ কখনও এমন কাজ করেননি।
এদিকে এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে ভাঙড়ে। আইএসএফের অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের মদতে ওই ব্যবসায়ী ব্রিজের ক্ষতি করার দুঃসাহস দেখিয়েছেন। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল নেতৃত্বের
দাবি, এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। -নিজস্ব চিত্র



