লন্ডন, ১৩ মে: আমেরিকার পর ব্রিটেন। অবৈধ অভিবাসীদের জন্য কড়া পদক্ষেপ নিল ব্রিটিশ সরকার। গতকাল, সোমবার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে কড়া অভিবাসন নীতির ঘোষণা করেছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার। এমনকী ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রেও কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। ব্রিটেনে নাগরিকত্ব পাওয়ার পদ্ধতিও বদলাচ্ছে, এমনটাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার। গতকাল, সোমবার পার্লামেন্টে অভিবাসন নীতি সংক্রান্ত বিষয়ে বক্তব্য রাখতে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার বলেন, ‘নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, শরণার্থীদের প্রবেশের ক্ষেত্রেও বাছাই করা সম্ভব হবে। আমরাই ঠিক করতে পারব, কারা এদেশে আসবেন, থাকবেন আর কারা আসবেন না।
কর্মক্ষেত্র, শিক্ষাক্ষেত্র এবং পরিবার নিয়ে বসবাস – সব ক্ষেত্রেই অভিবাসন আইন আরও কড়া হবে। সবটা আমরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখব। এতদিন যা হচ্ছিল, তার তুলনায় রেকর্ড সংখ্যক অভিবাসী ও শরণার্থী প্রবেশ কমাতে হবে। সেই লক্ষ্যেই আমাদের নীতি আরও কড়া হচ্ছে।’ বর্তমান ব্রিটেনের সরকারের নতুন নীতির ফলে চাপে পড়বেন সেদেশে কাজ করতে যাওয়া বিদেশিরা। ব্রিটেনের কোনও কোম্পানিতে বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ করলে এখন থেকে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে।
এমনকী ব্রিটেনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে যাওয়া পড়ুয়াদেরও ভর্তির খরচ বাড়বে। একই সঙ্গে এবার থেকে পাঁচ বছর নয় ব্রিটেনে কাজের জন্য যাওয়া বিদেশিরা ১০ বছর থাকলে তবেই নাগরিকত্ব ও বসবাসের জন্য আবেদন জানাতে পারবেন। প্রাপ্তবয়স্ক ও কর্মীদের ব্রিটেনের ভিসা পেতে গেলে এবার থেকে ইংরেজি পরীক্ষায় পাশ করতে হবে। অর্থাৎ ব্রিটিশদেরই এবার থেকে অগ্রাধিকার দেবে স্টারমার সরকার। ঠিক যে নীতিতে মার্কিন প্রশাসন চলছে। তারই মতো করে হাঁটতে চাইছে ব্রিটেনের বর্তমান সরকার।