নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আজ, সোমবার পেশ হচ্ছে না এক দেশ এক ভোট বিল। এদিনই বিলটি লোকসভায় পেশ করার কথা ছিল। কিন্তু রবিবারই সংবিধান সংশোধন বিলটি সোমবারের আলোচ্য সূচির তালিকা থেকে তুলে নিল মোদি সরকার। গত সপ্তাহেই এতে অনুমোদন দিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সরকারি সূত্রের খবর, শুক্রবারই ছাপা হয়েছে বিলটি। শনিবার তা বিলিও হয়েছে সাংসদদের মধ্যে। আইনমন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল সংশ্লিষ্ট সংবিধান (১২৯তম সংশোধন) বিল, ২০২৪ পেশ করতেন আজ। কিন্তু সোমবারের জন্য লোকসভার সংশোধিত ‘লিস্ট অব বিজনেস’ প্রকাশিত হতেই দেখা
Advertisement
গেল যে, সংশ্লিষ্ট বিলটি আর তালিকাভুক্ত নেই।
সামগ্রিক বিষয়টিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ এক দেশ, এক নির্বাচন সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধন বিল নিয়ে গোড়া থেকেই তুমুল আপত্তি জানাচ্ছিল বিরোধী দলগুলি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের মোদি সরকারের উদ্দেশে ইতিপূর্বেই তোপ দেগেছেন। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েনের অভিযোগ, সংসদকে আদতে আরএসএসের শাখা তৈরি করতে চাইছেন নরেন্দ্র মোদি। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরে গলা মিলিয়েছে অন্যান্য অবিজেপি দলও। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, বিরোধীদের প্রবল চাপেই কি শেষপর্যন্ত এক দেশ, এক নির্বাচন নিয়ে পিছু হটছে মোদি সরকার?
যদিও বিজেপি সূত্রে দাবি করা হয়েছে যে, পিছু হটার কোনও প্রশ্ন নেই। কাল, মঙ্গলবারই এই বিল পেশ করা হতে পারে। মোদির ‘লাকি’ নম্বর ১৭! তা মাথায় রেখেই গুরুত্বপূর্ণ এই বিল পেশের জন্য ১৭ ডিসেম্বর তারিখটিকে বেছে নেওয়া হতে পারে!
এদিকে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে হট্টগোলের মধ্যেই আজ, সোমবার থেকে সংসদের উচ্চকক্ষে শুরু হচ্ছে সংবিধানের উপর আলোচনা। রাজ্যসভার নেতা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা বিতর্কের সূত্রপাত করবেন। দু’দিনের আলোচনা শেষে মঙ্গলবার রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিরোধীদের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে প্রথম ভাষণ দেবেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেস সাংসদ মল্লিকার্জুন খাড়্গে।
তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের খবর, এই আলোচনায় দলের ১১ জন সাংসদ অংশ নেবেন। সংবিধানের উপর আলোচনায় বাংলাকে কেন্দ্রের বঞ্চনা, বকেয়ার মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সরব হবেন রাজ্যের শাসক দলের সাংসদরা। রাজ্যসভায় বলবেন না প্রধানমন্ত্রী মোদি। ব্যাটন থাকবে তাঁর মন্ত্রিসভার সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ডের হাতেই!
সামগ্রিক বিষয়টিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ এক দেশ, এক নির্বাচন সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধন বিল নিয়ে গোড়া থেকেই তুমুল আপত্তি জানাচ্ছিল বিরোধী দলগুলি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের মোদি সরকারের উদ্দেশে ইতিপূর্বেই তোপ দেগেছেন। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েনের অভিযোগ, সংসদকে আদতে আরএসএসের শাখা তৈরি করতে চাইছেন নরেন্দ্র মোদি। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরে গলা মিলিয়েছে অন্যান্য অবিজেপি দলও। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, বিরোধীদের প্রবল চাপেই কি শেষপর্যন্ত এক দেশ, এক নির্বাচন নিয়ে পিছু হটছে মোদি সরকার?
যদিও বিজেপি সূত্রে দাবি করা হয়েছে যে, পিছু হটার কোনও প্রশ্ন নেই। কাল, মঙ্গলবারই এই বিল পেশ করা হতে পারে। মোদির ‘লাকি’ নম্বর ১৭! তা মাথায় রেখেই গুরুত্বপূর্ণ এই বিল পেশের জন্য ১৭ ডিসেম্বর তারিখটিকে বেছে নেওয়া হতে পারে!
এদিকে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে হট্টগোলের মধ্যেই আজ, সোমবার থেকে সংসদের উচ্চকক্ষে শুরু হচ্ছে সংবিধানের উপর আলোচনা। রাজ্যসভার নেতা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা বিতর্কের সূত্রপাত করবেন। দু’দিনের আলোচনা শেষে মঙ্গলবার রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিরোধীদের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে প্রথম ভাষণ দেবেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেস সাংসদ মল্লিকার্জুন খাড়্গে।
তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের খবর, এই আলোচনায় দলের ১১ জন সাংসদ অংশ নেবেন। সংবিধানের উপর আলোচনায় বাংলাকে কেন্দ্রের বঞ্চনা, বকেয়ার মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সরব হবেন রাজ্যের শাসক দলের সাংসদরা। রাজ্যসভায় বলবেন না প্রধানমন্ত্রী মোদি। ব্যাটন থাকবে তাঁর মন্ত্রিসভার সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ডের হাতেই!



