নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলঙ্কিত ইডেন। সিএবি প্রথম ডিভিশন লিগে ইস্ট বেঙ্গল বনাম ভবানীপুর ম্যাচে তুমুল গণ্ডগোল। মাঠ থেকে ড্রেসিং-রুমে গড়াল অশান্তি। গালিগালাজ, ধাক্কাধাক্কি বাদ রইল না কিছুই। পরিস্থিতি সামলাতে শেষ পর্যন্ত পুলিসের শরণাপন্ন হতে হয় বঙ্গ ক্রিকেট কর্তাদের। ‘জেন্টলম্যান গেম’ ক্রিকেট লজ্জায় মুখ লুকোচ্ছে। দুর্বল সিএবি প্রশাসন। তারই সুযোগে চলছে ক্রিকেট মাঠে সন্ত্রাস। রনজি ট্রফি জয়ী অধিনায়ক সম্বরণ ব্যানার্জির মন্তব্য, ‘অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। আর যাই হোক, এটা ক্রিকেট নয়।’ উল্লেখ্য, বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচের ফয়সালা না হওয়ায় ইস্ট বেঙ্গল ও ভবানীপুরকে যুগ্মবিজয়ী ঘোষণা করা হয়। প্রতিপক্ষের ৬৪৩/৬ উইকেটে ডিক্লেয়ার্ডের জবাবে ৮ উইকেটে ২৩৯ রান করে ইস্ট বেঙ্গল।
পাঁচদিনের ম্যাচের বৃহস্পতিবার ছিল শেষদিন। মাঠেই প্রতিপক্ষের শাকির হাবিব গান্ধীর সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন ইস্ট বেঙ্গলের ঋত্বিক চ্যাটার্জি। এই শাকিরের আউট নিয়েই দ্বিতীয় দিনে মেগা বিতর্কের সূত্রপাত। কিন্তু বৃহস্পতিবারের ঘটনা সবকিছুকেই ছাপিয়ে গেল। মাঠের অশান্তির রেশ এসে পড়ে ড্রেসিং-রুমে। কর্তারা একে অন্যের দিকে তেড়ে যান। ভবানীপুর কর্তা সৃঞ্জয় বসুর মন্তব্য, ‘এভাবে চলতে পারে না। সিএবির বলে দেওয়া উচিত এটা ইস্ট বেঙ্গল লিগ। আসলে সিএবিতে ভোটের কথা ভেবেই ইস্ট বেঙ্গলকে তোয়াজ করা হচ্ছে।’ পাল্টা লাল-হলুদের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের মন্তব্য, ‘বালখিল্যের দল। সৃঞ্জয়ের আচরণ নিন্দনীয়। ওকে সজাগ করে দিলাম। ইস্ট বেঙ্গলের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙছে। আর সিএবি নিয়ে না ভেবে বরং নিজের নির্বাচনের দিকে নজর দিক।’