নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: বিয়ের তিন দিন আগে মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন চুঁচুড়ার এক পুলিসকর্মী। সোমবার অর্থাৎ বিয়ের দিনই তাঁর মৃত্যু হল। হিমাংশু মাঝির (২৬) মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সোমবারই বাঁকুড়ার হিড়বাঁধের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছে যুবকের দেহ। আগেই বাড়িতে সাজসজ্জা শুরু হয়েছিল। সেসব তেমনই ছিল এদিন। শুধু যাঁর বরবেশে যাওয়ার কথা ছিল, তিনি গিয়েছেন সাদা চাদরে শরীর মুড়ে নিথর হয়ে। ফলে, আত্মীয়রা তো বটেই প্রতিবেশীরাও চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।
Advertisement
চুঁচুড়ার ইমামবাড়া হাসপাতালের পুলিস সেলের দায়িত্বে ছিলেন হিমাংশু। সেখানেই মাথায় গুলি চালান। শুক্রবার ঘটনার পরপরই তাঁকে ইমামবাড়া হাসপাতালের আইসিসিইউতে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে ‘গ্রিন করিডর’ করে কলকাতার একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিন সেখানেই তিনি মারা গিয়েছেন। সকাল সকাল চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিসের কাছে খবর এসে পৌঁছতেই পুলিস মহলে শোক নামে। এদিন খবর শোনার পরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন চন্দননগরের পুলিস কমিশনার অমিত পি জাভালগি। পরে তিনি বলেন, খুবই বেদনাদায়ক ঘটনা। দাপুটে পুলিস কর্তা আর কিছু বলতে পারেননি। সহকর্মীরা জানান, যেদিন চুঁচুড়া থেকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয় তখন চিকিৎসকরা বলেছিলেন, চিকিৎসায় সাড়া মিলছে। আমরা সেই আশাতেই বুক বেঁধেছিলাম। কিন্তু এদিন খুব আঘাত পেয়েছি।
দু’বছর আগে চন্দননগর কমিশনারেটে কাজে যোগ দিয়েছিলেন বাড়ির ছোটছেলে হিমাংশু। তরতাজা যুবাকে র্যাফ বাহিনীতে রেখেছিলেন পুলিস কর্তারা। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি ও আরেক পুলিস কর্মী গিয়েছিলেন হাসপাতালের পুলিস সেল পাহারা দিতে। শুক্রবারই তাঁর বিয়ের জন্য ছুটিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই ভোররাতে তিনি নিজের সার্ভিস রিভলভার থেকে মাথায় গুলি করেন। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতভর সেখানেই হবু স্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে ব্যস্ত ছিলেন ওই তরুণ। সেই ঘটনারই কোনও প্রভাব তাঁর আত্মহত্যার চেষ্টার পিছনে আছে কি না, তা নিয়ে ধন্দ এখনও কাটেনি।
দু’বছর আগে চন্দননগর কমিশনারেটে কাজে যোগ দিয়েছিলেন বাড়ির ছোটছেলে হিমাংশু। তরতাজা যুবাকে র্যাফ বাহিনীতে রেখেছিলেন পুলিস কর্তারা। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি ও আরেক পুলিস কর্মী গিয়েছিলেন হাসপাতালের পুলিস সেল পাহারা দিতে। শুক্রবারই তাঁর বিয়ের জন্য ছুটিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই ভোররাতে তিনি নিজের সার্ভিস রিভলভার থেকে মাথায় গুলি করেন। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতভর সেখানেই হবু স্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে ব্যস্ত ছিলেন ওই তরুণ। সেই ঘটনারই কোনও প্রভাব তাঁর আত্মহত্যার চেষ্টার পিছনে আছে কি না, তা নিয়ে ধন্দ এখনও কাটেনি।



