কলম্বো: শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজের আগে চিন্তায় রাখল বোলিং। প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথমদিনে শ্রীলঙ্কার তরুণ তুর্কিদের সামনে ফুটে উঠল ভারতীয় বোলিংয়ের অসহায়তা। তারই মধ্যে শেষ সেশনে কুলদীপ যাদব ও রীন্দ্র জাদেজার স্পিনে কিছুটা স্বস্তি ফিরল। প্রথমদিনের শেষে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট একাদশের স্কোর ৮ উইকেটে ৩৬৩।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ওপেনিংয়েই ঝোড়ো গতিতে ১১০ তুলে ফেলে হোমটিম। এই সময় মহম্মদ সিরাজ ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা, দলের দুই সিনিয়র পেসারকেই দেখায় ছন্দহীন। দুই ওপেনার রবীন্দু রাসান্থা (৭১) ও নিশান ফার্নান্ডো (৬৬) বড়ো রান পান। ক্যাপ্টেন সোনাল দিনুশা করেন ৫২। পঞ্চাশের গণ্ডি পেরনো ত্রয়ী ছাড়াও নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাবের মাঠে শ্রীলঙ্কার চারজন পৌঁছান তিরিশের ঘরে। সফরকারী দলের বোলারদের দুর্দশা যাতে প্রতিফলিত। তিনদিনের এই ম্যাচ প্রথম শ্রেণির মর্যাদা পাচ্ছে না। প্রথম দু’দিন ৯০ ওভার করে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাবে উভয় দল। শেষদিন ৪৫ ওভার ব্যাট করবে প্রত্যেকে। দু’দলই তাই জোর দিয়েছে স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের দেখে নিতে। ভারত এদিন সাত বোলারকে ব্যবহার করে। তারমধ্যে তিনজন পেসার। সিরাজ (০-৪৪) ও প্রসিদ্ধ (০-৩২) যদিও উইকেট পাননি। আর এক পেসার গুরনুর ব্রার শিকার সংখ্যা এক (১-৪৯)। তবে আকিব নবিকে অজ্ঞাত কারণে নামানো হয়নি।
স্পিনারদের মধ্যে হতাশ করেন সারাংশ জৈন। ১১ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৫৪ রান দেন অফস্পিনার। ফলে তাঁর টেস্ট অভিষেকের সম্ভাবনা কমল। তুলনায় মানব সুথারকে (২-৩৩) অনেক বেশি ছন্দে দেখাল। বাঁ-হাতি স্পিনার অভিষেক টেস্টে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন। নিশানায় অভ্রান্ত থেকে আঁটসাঁট বোলিংয়ে এদিনও নজর কাড়লেন। তবে বোলারদের মধ্যে সেরা ছিলেন কুলদীপ। গতির হেরফের ঘটিয়ে চায়নাম্যান চাপে রাখলেন ব্যাটারদের। সবচেয়ে বেশি ১৮ ওভার হাত ঘোরালেন তিনি (২-৭৬)। সেরা ছন্দে না থাকলেও দু’উইকেট পান রবীন্দ্র জাদেজা (২-৬৪)। শনিবার এই পিচে ভারতীয়রা কেমন ব্যাট করেন, এখন সেদিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটমহলের।