Bartaman Logo
২৮ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শক্তিগড়ে চলাফেরার ক্ষমতাহীন বধূর দেহ উদ্ধার পুকুরে, চাঞ্চল্য

শক্তিগড় থানার গাংপুরে বৃহস্পতিবার সকালে পুকুর থেকে এক গৃহবধূর দেহ উদ্ধার হয়েছে

শক্তিগড়ে চলাফেরার ক্ষমতাহীন বধূর দেহ উদ্ধার পুকুরে, চাঞ্চল্য
  • ২৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বর্ধমান: শক্তিগড় থানার গাংপুরে বৃহস্পতিবার সকালে পুকুর থেকে এক গৃহবধূর দেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতার নাম সুনীতা হাজরা(৩২)। এদিন সাতসকালের এই ঘটনায় গাংপুরের পূর্বপাড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গাংপুরের পূর্বপাড়ায় শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন সুনীতা। তাঁর স্বামী সার্থক হাজরা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন সুনীতা। অসুস্থতার কারণে তাঁর দেখাশোনার জন্য আয়াও রাখা হয়েছিল। পরিবারের দাবি, সুনীতা স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারতেন না। তাহলে তিনি কীভাবে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পুকুর পর্যন্ত পৌঁছালেন? সুনীতার শ্বশুর প্রবীর হাজরা বলেন, বউমার স্বাভাবিকভাবে চলাফেরার ক্ষমতাই ছিল না। সেখানে বাড়ি থেকে পুকুর পর্যন্ত গেল কীভাবে বুঝতে পারছি না। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, গত ২৫ আগস্ট ভোর থেকে সুনীতার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন। কিন্তু, তাঁর হদিশ মেলেনি। পরে শক্তিগড় থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন পরিবারের সদস্যরা। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর বাড়ির পাশে মাঠের ধারে একটি পুকুরে সুনীতার দেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরাই থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে শক্তিগড় থানার পুলিশ পৌয়ছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠায়। নিছক দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি এর পিছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
শক্তিগড় থানার সালেপুরে এক বৃদ্ধের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম হেমন্ত সরকার(৬৬)। বুধবার দুপুরে বাড়ির পাশে ঝোপের মধ্যে একটি গাছে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে ঝুলতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তড়িঘড়ি গামছা কেটে নামিয়ে তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।  
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে তিনি ঘর থেকে বের হন। তারপর থেকে তাঁর খোঁজ মিলছিল না। এবিষয়ে পরিবারের তরফে শক্তিগড় থানার একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়া ও এলাকায় মাইকে প্রচারও করা হয়। বুধবার দুপুরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। তাঁর আত্মহত্যার কারণ নিয়ে ধন্দে পরিবারের লোকজন। পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ