নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফের ট্রলি ব্যাগ কাণ্ড। কুমোরটুলির ঘটনার পর আবারও ট্রলি ব্যাগের ভিতর থেকে উদ্ধার হল দেহ। এবার ঘটনাস্থল সোদপুরের ঘোলা থানার অন্তর্গত কল্যাণী এক্সপ্রেস হাইওয়ে এলাকা। গতকাল, মঙ্গলবার রাতে এই দেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফের ট্রলি ব্যাগ কাণ্ড। কুমোরটুলির ঘটনার পর আবারও ট্রলি ব্যাগের ভিতর থেকে উদ্ধার হল দেহ। এবার ঘটনাস্থল সোদপুরের ঘোলা থানার অন্তর্গত কল্যাণী এক্সপ্রেস হাইওয়ে এলাকা। গতকাল, মঙ্গলবার রাতে এই দেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনায় ইতিমধ্যেই ২ জনকে পাকড়াও করেছে পুলিস। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। মূলত, ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরেই তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। পুলিস সূত্রে জানানো হয়েছে, ধৃত দুই ব্যক্তির মধ্যে একজনকে ঘটনাস্থল থেকেই ট্রলি সমেত হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়। অপরজন পালিয়ে গেলেও তাঁকে কলকাতা থেকে মধ্যরাতে গ্রেপ্তার করে পুলিস।
স্থানীয় সূত্রে দাবি, একটি ক্যাবে করে এসে ট্রলি ব্যাগ-সহ দেহ ফেলে যাওয়ার চেষ্টা করছিল অভিযুক্তরা। মূলত, ক্যাব চালকের তৎপরতাতেই তাদের পাকড়াও করা গিয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটে খুনের পর দেহ ট্রলিতে ভরে কোনও ট্যাক্সি করে নাগেরবাজারে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। এরপর সেখান থেকে আর একটি ক্যাবে করে ট্রলিবন্দি দেহ আনা হয় ঘোলার কাছে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে। সেখানে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকাতে চালকের সন্দেহ শুরু হয়। এরপর বচসা বাঁধলে ঘটনাস্থলে আসে ঘোলা থানার টহলদারি ভ্যান। আর পুলিসের সামনে ট্রলি খুলতেই রহস্যের পর্দাফাঁস হয়ে পড়ে।
পুলিস সূত্রে খবর, মৃতের হাত-পা-মুখ সেলোটেপ দিয়ে বাঁধা ছিল। মৃতদেহ ছাড়াও উদ্ধার হয়েছে রক্তমাখা প্লাস্টিক, ছুরি, নাইলনের দড়িও।