Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সব প্রতিষ্ঠানে বাংলায় বোর্ড আবশ্যিক কোচবিহারেও, সিদ্ধান্ত বোর্ড মিটিংয়ে

কোচবিহার পুরসভার অধীনে থাকা সমস্ত সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, দোকানপাটে এবার থেকে বাংলায় লেখা সাইন বোর্ড বাধ্যতামূলক করা হল।

সব প্রতিষ্ঠানে বাংলায় বোর্ড আবশ্যিক কোচবিহারেও, সিদ্ধান্ত বোর্ড মিটিংয়ে
  • ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহার পুরসভার অধীনে থাকা সমস্ত সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, দোকানপাটে এবার থেকে বাংলায় লেখা সাইন বোর্ড বাধ্যতামূলক করা হল। রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভা ইতিমধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবার কোচবিহার পুরসভাও সেই পথে হাঁটল। বৃহস্পতিবার পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। পাশাপাশি রাসমেলা পরিচালনার জন্য এবারই প্রথম আলাদা করে পাঁচটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল কংগ্রেস শাসিত পুরবোর্ড। 

Advertisement

কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, পুরসভা এলাকায় যত সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট আছে তাতে বাংলায় বোর্ড লিখতে হবে। রাজ্যের অন্যান্য পুরসভাগুলি ইতিমধ্যেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এদিন বোর্ড মিটিংয়ে সর্বসম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। অস্থায়ী কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির জন্য ১৪ জনকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাঁরা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। রাসমেলায় এবার পাঁচটি কমিটি তৈরি করা হচ্ছে। সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে মেলা পরিচালনা করার জন্যই এই সিদ্ধান্ত। 
অ্যামিউসজমেন্ট, স্টেডিয়াম, বাইরের থেকে শিল্পী নিয়ে আসা, স্টেডিয়াম কমিটি, রাসমেলা মাঠ কমিটি তৈরি করা হবে। কমিটির সদস্যরাই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে কোচবিহার পুরসভার অস্থায়ী কর্মীরা বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছেন। তাঁদের দাবির বিষয় পর্যালোচনা করার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হল। ওই কমিটিই আগামী দিনে এই বিষয়ে আলোচনা করে রিপোর্ট জমা দেবে। শহরে যেকোনও প্রতিষ্ঠানে বাংলায় লেখা বোর্ড রাখার ব্যাপারে জেলাশাসক, ব্যবসায়ী সমিতি সহ অন্যান্যদের চিঠি পাঠানো হবে। সেই সঙ্গে মাইকিং করা হবে। যাতে যত দ্রুত সম্ভব সাইন বোর্ডে বাংলা লেখা হয়। 
কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানের যুগ যুগ ধরে মেলা হয়ে আসছে। কিন্তু মেলা চলাকালীন সময়ে বা পরবর্তীতে মেলার স্টল বণ্টন নিয়ে যাতে কোনওরকম প্রশ্ন না ওঠে, সেজন্যই পুরসভা এবার আগেভাগেই মেলার বিষয়ে স্বচ্ছতা রাখতে বিভিন্ন কার্যভারের জন্য আলাদা আলাদা কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিল বলে মনে করা হচ্ছে। একইভাবে পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি নিয়েও দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে। ঠিক কতটা বেতন বৃদ্ধি করা সম্ভব, বৃদ্ধি করা সম্ভব হলে সেই বেতন তাঁরা কবে থেকে পেতে পারেন, এতে পুরসভার বাড়তি কত টাকা লাগবে এসব বিষয় কমিটিতে খতিয়ে দেখা হবে।  নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ