


ঢাকা: চাপে পড়ে পিছু হটলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বাংলাদেশের আগামী সাধারণ নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সেই ভোটে আওয়ামি লিগকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়ার দাবি তুলেছিলেন ফখরুল। শুধু শেখ হাসিনার দলই নয়, জাতীয় পার্টিকেও ভোটে লড়াইয়ের সুযোগ দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন তিনি। এক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বিএনপির মহাসচিব বলেছিলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে এই দুই দলকেই অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া উচিত। যদিও পরে নিজের মন্তব্য থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে যান তিনি।
মঙ্গলবার বিএনপির মিডিয়া সেলের তরফে জানানো হয়েছে, মির্জা ফখরুল এধরনের কোনও মন্তব্য করেননি। তাঁর মন্তব্যকে বিকৃত করে সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি এধরনের সংবাদ প্রকাশ করে বাংলাদেশের নাগরিকদের বিভ্রান্ত না করার অনুরোধ জানিয়েছে খালেদা জিয়ার দল।
আওয়ামি লিগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কি না? এপ্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেছিলেন, আওয়ামি লিগ ও তাদের শরিক, এমনকী জাতীয় পার্টিও ভোটে অংশ নিক। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হোক। একথা বলার জন্য হয়তো অনেকে আমাকে ভারতের এজেন্ট কিংবা আওয়ামী লিগের দালাল বলে গালাগাল দিচ্ছেন। কিন্তু শেখ হাসিনার অপকর্ম আমরাও কেন করব? গত ১৫ বছর বিরোধীদের ভোটে লড়তে দেননি হাসিনা। একই কাজ করলে ভবিষ্যতে আমাদেরও ফল ভোগ করতে হবে। তাঁর সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। অবশেষে চাপে পড়ে সাফাই দিতে বাধ্য হল বিএনপি।