সংবাদদাতা, বনগাঁ: চলতি মাসে বনগাঁয় শুরু হয়েছে জঞ্জাল কর আদায়। প্রতিদিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে এক টাকা করে কর সংগ্রহ চলছে। রাজ্যের কয়েকটি পুরসভা এই কর ইতিমধ্যেই নিতে শুরু করেছে। সেই তালিকায় নাম সংযোজন হল বনগাঁরও। এই কাজের বিরোধিতা করেছে সিপিএম-বিজেপি। তাদের বক্তব্য, নাগরিকরা এমনিতেই পুর কর দেন। তারপরও নতুন করে তাঁদের উপর বাড়তি করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুরসভার একটি সূত্রের বক্তব্য, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী এবং রাজ্য-কেন্দ্রীয় সরকার ও জাতীয় পরিবেশ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, বাড়ি বাড়ি জঞ্জাল সংগ্রহ করে পুরসভা। সে কারণেই জঞ্জাল কর আদায়ের সিদ্ধান্ত।
Advertisement
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্মল সাথী মহিলারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রতিদিন এক টাকা করে জঞ্জাল কর সংগ্রহ করবেন। সেই করের টাকার ১০ শতাংশ বাড়তি আয় হিসেবে মহিলাদের দেওয়া হবে। এ জন্য পুরসভা ২৫টি ‘ই পজ’ মেশিন কিনেছে। ইউপিআই মাধ্যমে কর দিতে পারবেন নাগরিকরা। এছাড়া নগদেও নেওয়া হবে। টাকা নিয়ে দেওয়া হবে রসিদ। বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল শেঠ বলেন, ‘রাজ্যের কয়েক জায়গায় আগেই চালু হয়ে গিয়েছে। আমরা মানুষের কথা ভেবে দেরিতে চালু করলাম। সরকারি নির্দেশে বেশি অঙ্কের কর নেওয়ার কথা থাকলেও আমরা মাত্র এক টাকা নিচ্ছি।’ বামেরা এই বাড়তি কর নেওয়ার বিরোধিতা করেছে। ডেপুটেশনও দিয়েছে। সিপিআইএমের এরিয়া কমিটির সম্পাদক সুমিত কর বলেন, ‘শহরবাসী পুরসভাকে কর দেয়। তারপর আলাদা করে জঞ্জাল কর কেনও দেবে। সিদ্ধান্ত বদলের দাবিতে আমরা আবার পুরসভায় ডেপুটেশন দেব।’ কাউন্সিলার ও বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি দেবদাস মণ্ডল বলেন, ‘পুর পরিষেবা পেতে নাগরিকরা এমনিতেই কর দেন। আলাদা করে জঞ্জাল কর নেওয়া মানে মানুষের মাথায় করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া।’



