সুদীপ্ত কুণ্ডু, হাওড়া: রাস্তার দু’পাশে গজিয়ে উঠেছে বড় বড় ঝোপঝাড়। ভিতরে পড়ে রয়েছে সিরিঞ্জ, মদ ও কাফ সিরাপের বোতল এবং বিভিন্ন ধরনের মাদক সামগ্রী। সন্ধ্যা নামতেই অন্ধকার রাস্তায় চলে নেশার নানাবিধ কারবার। হাওড়ার বালিটিকুরি ইএসআই হাসপাতালের পিছনের অংশে সমাজবিরোধীদের নিত্য যাতায়াত নিয়ে অভিযোগ তুলছেন স্থানীয়রা। প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার কারণেই এমনটা ঘটছে বলে দাবি তাঁদের। সম্প্রতি ওই এলাকায় পরপর পাঁচটি বাসের যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনায় আতঙ্ক বেড়েছে এলাকায়।
Advertisement
হাওড়া-আমতা রোডে জাপানি গেট বাসস্ট্যান্ডের পাশেই রয়েছে ন্যাশনাল স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের ট্রেনিং ও টেস্টিং সেন্টারে যাওয়ার রাস্তা। বালিটিকুরি ইএসআই হাসপাতালের প্রাচীর সংলগ্ন এই রাস্তার দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০০ মিটার। অথচ তাতে আলোর কোনও ব্যবস্থা নেই। রাস্তার দু’পাশে বেড়ে উঠেছে ঝোপঝাড়। এক কথায়, সমাজবিরোধী ও নেশাখোরদের অবাধ মুক্তাঞ্চল। অভিযোগ, সন্ধ্যার পর কিশোর থেকে যুবক, বিভিন্ন বয়সিদের আনাগোনা শুরু হয় এই রাস্তায়। ঝোপের ভিতরে চলে মদ, গাঁজা, ডেনড্রাইট এমনকী, সিরিঞ্জে ড্রাগসের নেশা। জানা গিয়েছে, মূল সড়কের ধারেই ছোটখাট দোকানে দেদার বিক্রি হয় মাদক সামগ্রী। রাস্তাতেও চলে ‘পুরিয়ার প্যাকেট’ বেচাকেনা। সেই প্যাকেট পকেটে ঢুকিয়ে ঝোপের ভিতরে ঢুকে যায় নেশাখোররা। শুধু তাই নয়, রাত বাড়লে অনেক সময় চারচাকার গাড়িও ঢুকতে দেখা যায় বলে দাবি স্থানীয়দের একাংশের। এলাকায় সমাজবিরোধীদের দাপট বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্কিত তাঁরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন, ‘মাঝেমধ্যে মিনিট দশেকের জন্য পুলিসের গাড়ি টহল দিতে আসে। কয়েকজনকে তুলেও নিয়ে যায়। কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হয় না।’
সোমবার গভীর রাতে এই এলাকায় পরপর পাঁচটি বাসের লক ভেঙে লক্ষাধিক টাকার যন্ত্রাংশ চুরি করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। বাস মালিক ও কর্মীদের দাবি, অন্ধকার রাস্তায় রীতিমতো নেশার মেলা বসে প্রতিদিন। দুষ্কৃতীদের আনাগোনার কারণেই চুরির ঘটনা ঘটেছে। এদিন এলাকায় গিয়ে দেখা গেল, রাস্তার দু’পাশে ঝোপের ধারে অজস্র নেশার সামগ্রী পড়ে রয়েছে। ইএসআই হাসপাতালের পিছনের অংশে একটি পরিত্যক্ত কোয়ার্টার রয়েছে। সীমানা প্রাচীরের নীচের অংশের মাটি কেটে তার ভিতর দিয়ে ওই কোয়ার্টারে দুপুরের দিকেও যাতায়াত চলে নেশাখোরদের। বিষয়টি নিয়ে কড়া পুলিসি পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন বাসিন্দারা। হাওড়া সিটি পুলিসের এক কর্তা বলেন, ‘প্রতিনিয়ত ওই এলাকায় টহলদারি চলে। যদিও এই ধরনের কোনও অভিযোগ সামনে আসেনি। তবে নজরদারি বাড়ানো হবে।’
সোমবার গভীর রাতে এই এলাকায় পরপর পাঁচটি বাসের লক ভেঙে লক্ষাধিক টাকার যন্ত্রাংশ চুরি করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। বাস মালিক ও কর্মীদের দাবি, অন্ধকার রাস্তায় রীতিমতো নেশার মেলা বসে প্রতিদিন। দুষ্কৃতীদের আনাগোনার কারণেই চুরির ঘটনা ঘটেছে। এদিন এলাকায় গিয়ে দেখা গেল, রাস্তার দু’পাশে ঝোপের ধারে অজস্র নেশার সামগ্রী পড়ে রয়েছে। ইএসআই হাসপাতালের পিছনের অংশে একটি পরিত্যক্ত কোয়ার্টার রয়েছে। সীমানা প্রাচীরের নীচের অংশের মাটি কেটে তার ভিতর দিয়ে ওই কোয়ার্টারে দুপুরের দিকেও যাতায়াত চলে নেশাখোরদের। বিষয়টি নিয়ে কড়া পুলিসি পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন বাসিন্দারা। হাওড়া সিটি পুলিসের এক কর্তা বলেন, ‘প্রতিনিয়ত ওই এলাকায় টহলদারি চলে। যদিও এই ধরনের কোনও অভিযোগ সামনে আসেনি। তবে নজরদারি বাড়ানো হবে।’



