Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সিউড়িতে তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনিতে শক্তি প্রদর্শনে ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলাম

বিজয়া সম্মিলনিকে সামনে রেখে নিজের শক্তি প্রদর্শন করলেন সিউড়ি-২ ব্লকের সভাপতি নুরুল ইসলাম। ওই ব্লকে বিজয়া সম্মিলনি নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি।

সিউড়িতে তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনিতে শক্তি প্রদর্শনে ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলাম
  • ১৫ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: বিজয়া সম্মিলনিকে সামনে রেখে নিজের শক্তি প্রদর্শন করলেন সিউড়ি-২ ব্লকের সভাপতি নুরুল ইসলাম। ওই ব্লকে বিজয়া সম্মিলনি নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। প্রথমে বিজয়া সম্মিলনির তালিকায় জেলার বাকি সমস্ত ব্লকের নাম থাকলেও তালিকায় নাম ছিল না সিউড়ি-২ ব্লকের। এমনকী, পুরন্দরপুরে বান্ধব সমিতির যে মাঠে তিনি বিজয়া সম্মিলনি করবেন বলে স্থির করেছিলেন, সেই অনুমোদন পর্যন্ত বাতিল হয়েছে। তারপরেও মঙ্গলবার কয়েক হাজার কর্মীকে নিয়ে বিজয়া সম্মিলনি করে দলেরই বিরোধী গোষ্ঠীকে বার্তা দিলেন তিনি। এদিনের বিজয়া সম্মিলনিতে ভিড় দেখে আপ্লুত জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। তাঁকে বলতে শোনা গেল, বিজয়া সম্মিলনিতে জনজোয়ার হয়েছে। আর কোনও ব্লকে এত লোক হয়েছে বলে আমার মনে হয় না। এটা জেলার সর্বশ্রেষ্ঠ বিজয়া সম্মিলনি হয়েছে বলে আমার মনে হয়। পাশাপাশি নুরুল বিরোধী গোষ্ঠীকে আক্রমণও শানান তিনি। 

Advertisement

মঙ্গলবার পুরান্দরপুর ব্লক অফিস মাঠে আয়োজিত বিজয়া সম্মিলনিতে জেলা পরিষদের সভাধিপতি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের আইটি সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য, দলের কোর কমিটির চেয়ারম্যান তথা বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, সাঁইথিয়া বিধানসভার বিধায়ক নিলাবতী সাহা প্রমুখ। তবে, অনুব্রত গোষ্ঠীর কোনও নেতা এদিন উপস্থিত ছিলেন না। ছিলেন না দলের কার্যকরী সভাপতি অশ্বিনী মণ্ডলও। এনিয়ে অবশ্য কাজল বলেন, ওরকম কোনও পদ আছে বলে আমার মনে হয় না। তাছাড়া যাঁরা উপস্থিত ছিলেন না, তাঁদেরও উপস্থিত থাকা উচিৎ ছিল বলে আমার মনে হয়। কারণ এটা তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয় সম্মিলনি। কারও ব্যক্তিগত নয়। ইদানীং এই এলাকায় কোনও কোনও নেতা দেখছি ইঁদুরের গর্তে থেকে মুখ বের করছে। তাঁদের উদ্দেশে বলব, ভাই তরমুজ তৃণমূল হয়ে লাভ নেই। উপরটা তৃণমূল, ভিতরটা গেরুয়া হয়ে লাভ নেই। আসুন সবাই মিলে মানুষের স্বার্থে কাজ করি। যদিও এর পাল্টা অশ্বিনী বলেন, ২০১৬ সালের বিধানসভায় নানুরে কোন নেতা তরমুজ ছিলেন, তা জেলার মানুষ জানেন। তাছাড়া, ব্লকের মাঠ চার ভাগের এক ভাগও ভর্তি হয়নি। মানুষ কাদের সঙ্গে আছে, তাতেই স্পষ্ট। এদিন আশিসবাবু ব্লক সভাপতি ও কাজলের প্রশংসাতেও পঞ্চমুখ হন। তিনি আরও বলেন, কাজল আমার ভ্রাতৃপ্রতিম। জেলা পরিষদকে একটা উঁচু জায়গায় নিয়ে গিয়েছেন। দেবাংশু বলেন, পুরনো সিপিএমের লোকেরাই বিজেপি করছে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ