নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০২৪ সালে সোনার বাজারে যে উত্থান হয়েছে, তা বিগত কয়েক বছরে দেখা যায়নি, বলছে স্বর্ণশিল্প মহল। গত বছর জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২ মাসে সোনার দাম ২০ শতাংশের বেশি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল তথ্য দিয়ে দাবি করল, দেশে সামগ্রিকভাবে সোনার চাহিদা বেড়েছে ৫ শতাংশ। তবে দামের নিরিখে স্বর্ণ মহলের ব্যবসা বেড়েছে ৩১ শতাংশ।
Advertisement
ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল জানাচ্ছে, ২০২৪ সালে দেশে মোট সোনা বিক্রি হয়েছে ৮০২.৮ টন। ২০২৩ সালে তা ছিল ৭৬১ টন। তবে ২০২৪ সালে মোট বিক্রির অঙ্ক বেড়ে পৌঁছেছে ৫ লক্ষ ১৫ হাজার ৩৯০ কোটি টাকায়। ২০২৩ সালে তা ছিল ৩ লক্ষ ৯২ হাজার কোটি টাকা। এই সোনার মধ্যে যেমন গয়না আছে, তেমনই রয়েছে সোনার বিস্কুট ও কয়েন, যা সাধারণত বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে কেনেন ক্রেতারা।
কাউন্সিলের তথ্য বলছে, সোনার পরিমাণের হিসেব কষলে, গত বছর গয়নার বিক্রিবাটা কমে গিয়েছে ২ শতাংশ। তবে কয়েন বা বিস্কুটের বিক্রি সেই খামতি পুষিয়ে দিয়েছে। ২০২৩ সালে যেখানে বিনিয়োগ ভিত্তিক সোনা বিক্রি হয়েছিল ১৮৫.২ টন, সেখানে ২০২৪ সালে তা পৌঁছেছে ২৩৯.৪ টনে। কাউন্সিলের তথ্য বলছে, গত বছরের শেষ তিনমাস, অর্থাৎ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে সোনার বিক্রিবাটা ২০২৩ সালের ওই একই সময়ের নিরিখে অপরিবর্তিত ছিল। কিন্তু সোনার দাম বৃদ্ধির কারণে ওই তিনমাসে বিক্রি বেড়ে গিয়েছে সার্বিকভাবে ৩৭ শতাংশ।
ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল সারা বছরের বিক্রিবাটাকে সদর্থক মনে করছে। তাদের বক্তব্য, সোনার দাম অনেকটা বেশি থাকার দরুন বিক্রিবাটা আরও কম হতে পারত কিন্তু তা হয়নি। এর অন্যতম কারণ, গত জুলাই মাসে সরকার সোনার উপর আমদানি শুল্ক এক ধাক্কায় ৯ শতাংশ কমায়। তার ফলে সোনার দাম রাতারাতি অনেকটাই কমে যায়। সারা বছর যত গয়না ও বিনিয়োগ ভিত্তিক সোনা বিক্রি হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিল জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনমাস। এরপর চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ধনতেরাস ও উৎসব বাজার কিছুটা চাঙ্গা রাখে, দাবি করেছে তারা। কাউন্সিলের দাবি, রিজার্ভ ব্যাঙ্কও অনেক বেশি মাত্রায় সোনা কিনেছে ২০২৪ সালে, পরিমাণটা ৭৩ টন! সেখানে ২০২৩ সালে মাত্র ১৬ টন সোনা কিনেছিল তারা।
কাউন্সিলের তথ্য বলছে, সোনার পরিমাণের হিসেব কষলে, গত বছর গয়নার বিক্রিবাটা কমে গিয়েছে ২ শতাংশ। তবে কয়েন বা বিস্কুটের বিক্রি সেই খামতি পুষিয়ে দিয়েছে। ২০২৩ সালে যেখানে বিনিয়োগ ভিত্তিক সোনা বিক্রি হয়েছিল ১৮৫.২ টন, সেখানে ২০২৪ সালে তা পৌঁছেছে ২৩৯.৪ টনে। কাউন্সিলের তথ্য বলছে, গত বছরের শেষ তিনমাস, অর্থাৎ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে সোনার বিক্রিবাটা ২০২৩ সালের ওই একই সময়ের নিরিখে অপরিবর্তিত ছিল। কিন্তু সোনার দাম বৃদ্ধির কারণে ওই তিনমাসে বিক্রি বেড়ে গিয়েছে সার্বিকভাবে ৩৭ শতাংশ।
ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল সারা বছরের বিক্রিবাটাকে সদর্থক মনে করছে। তাদের বক্তব্য, সোনার দাম অনেকটা বেশি থাকার দরুন বিক্রিবাটা আরও কম হতে পারত কিন্তু তা হয়নি। এর অন্যতম কারণ, গত জুলাই মাসে সরকার সোনার উপর আমদানি শুল্ক এক ধাক্কায় ৯ শতাংশ কমায়। তার ফলে সোনার দাম রাতারাতি অনেকটাই কমে যায়। সারা বছর যত গয়না ও বিনিয়োগ ভিত্তিক সোনা বিক্রি হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিল জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনমাস। এরপর চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ধনতেরাস ও উৎসব বাজার কিছুটা চাঙ্গা রাখে, দাবি করেছে তারা। কাউন্সিলের দাবি, রিজার্ভ ব্যাঙ্কও অনেক বেশি মাত্রায় সোনা কিনেছে ২০২৪ সালে, পরিমাণটা ৭৩ টন! সেখানে ২০২৩ সালে মাত্র ১৬ টন সোনা কিনেছিল তারা।



