নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: গোলাকার বস্তু। সেটি পলিথিন দিয়ে মোড়া। উপরে লাল রঙের মানচিত্র। তার গায়ে সবুজ রঙে লেখা, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’! সেটা নাকি অ্যান্টিক! এছাড়াও ছিল তেজষ্ক্রিয় পদার্থ। দাম কয়েক লক্ষ টাকা! ভিডিও কলে ক্রেতাদের দূর থেকে তা দেখিয়ে ফাঁদে ফেলত প্রতারকরা। ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা ভুয়ো তেজষ্ক্রিয় পদার্থও দেখানো হতো। তা থেকে যে বিকিরণ হচ্ছে, সেকথা প্রমাণ করতে ভিডিও কলের সময় প্রতারকরা পরে থাকত বিশেষ ধরনের পোশাক। সেই সঙ্গে নানা ধরনের ভুয়ো অ্যান্টিক জিনিসপত্রও দেখানো হতো ক্রেতাদের। সাধারণ মাটির জিনিসপত্রকে রং করে তারা অন্যদের বোকা বানাত। তারপর বিক্রি করা হতো লক্ষ লক্ষ টাকায়। নিউটাউনের ইকোপার্ক থানা এলাকায় এমনই একটি চক্রের হদিশ পেল পুলিস। এই চক্রের অন্যতম এক পান্ডাকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত বাকিদের খোঁজ চলছে। কিন্তু, বাংলাদেশ লেখা জিনিসটি কী? ডেপুটি কমিশনার (নিউটাউন) মানব সিংলা বলেন, চক্রটি ভুয়ো। উদ্ধার হওয়া কোনও জিনিসই অ্যান্টিক বা রেডিও অ্যাক্টিভ জিনিসপত্র নয়। এইগুলো বলেই ক্রেতাদের প্রতারিত করা হতো। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
Advertisement
অ্যান্টিক ও তেজষ্ক্রিয় পদার্থ বিক্রির নামে প্রতারণা চক্র নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন জেলায় এই ধরনের ঘটনা সামনে এসেছে। সেখানে পুরনো মূর্তি, ঘটি, বোতল দেখিয়ে এই দাবি করত প্রতারকরা। তারপর লক্ষ লক্ষ টাকায় সেসব বিক্রি করত।
বিধাননগরের গোয়েন্দা প্রধান সোনেওয়ানে কুলদীপ সুরেশ জানিয়েছে, একটি সংস্থার নামে তারা কল সেন্টারটি চালাত। খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তের পর জানা গিয়েছে, তারা চড়া দামে ভুয়ো অ্যান্টিক জিনিসপত্র বিক্রি করত। অভিযান চালিয়ে কিছু কেমিক্যালস, প্রোটেক্টিভ পোশাক, ল্যাপটপ সহ বেশকিছু জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এইগুলি তারা প্রতারণার কাজে ব্যবহার করত। ধৃতকে পুলিসি হেফাজতে নিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
বিধাননগরের গোয়েন্দা প্রধান সোনেওয়ানে কুলদীপ সুরেশ জানিয়েছে, একটি সংস্থার নামে তারা কল সেন্টারটি চালাত। খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তের পর জানা গিয়েছে, তারা চড়া দামে ভুয়ো অ্যান্টিক জিনিসপত্র বিক্রি করত। অভিযান চালিয়ে কিছু কেমিক্যালস, প্রোটেক্টিভ পোশাক, ল্যাপটপ সহ বেশকিছু জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এইগুলি তারা প্রতারণার কাজে ব্যবহার করত। ধৃতকে পুলিসি হেফাজতে নিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।



