Bartaman Logo
২৪ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

বাংলাদেশের মাটিতে হুজি জঙ্গিদের ফের সক্রিয় করতে মরিয়া পাক আইএসআই

আবার সক্রিয় করা হচ্ছে বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হুজিকে। আর এই কাজের জন্যই পাকিস্তান থেকে দলে দলে আইএসআই ‌঩এজেন্টর বাংলাদেশে আসার রাস্তা সুগম করে দেওয়া হয়েছে সম্প্রতি। কয়েকদিন আগেই বাংলাদেশ ভিসা নীতির বদলে ফেলেছে।

বাংলাদেশের মাটিতে হুজি জঙ্গিদের ফের সক্রিয় করতে মরিয়া পাক আইএসআই
  • ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আবার সক্রিয় করা হচ্ছে বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হুজিকে। আর এই কাজের জন্যই পাকিস্তান থেকে দলে দলে আইএসআই ‌঩এজেন্টর বাংলাদেশে আসার রাস্তা সুগম করে দেওয়া হয়েছে সম্প্রতি। কয়েকদিন আগেই বাংলাদেশ ভিসা নীতির বদলে ফেলেছে। বাংলাদেশে এখন থেকে আর পাকিস্তানের বাসিন্দাদের প্রবেশ করার জন্য বিশেষ নিরাপত্ত অনুমোদন  প্রয়োজন হবে না। ভিসা অনুমোদনও অনেক সহজ করে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই ভিসা নীতি বদলের ঠিক আগেই খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত। তারপরই এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা হয়েছে। সুতরাং বাংলাদেশে যা হচ্ছে তার পিছনে যে সম্পূর্ণভাবে পাকিস্তানেরই বিশেষ প্ল্যান রয়েছে সেটা প্রকট হয়েছে। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা তা জানতেও পেরেছে।  
Advertisement
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর, পাকিস্তানের প্ল্যান হল নমনীয়  ভিসা নীতির সুযোগে আগে বাংলাদেশে বেশি করে ঢুকে পড়া। এরপর দু’টি অপারেশন। প্রথমত, বাংলাদেশের অন্দরে আবার হুজি সংগঠনে সদস্য রিক্রুট করা। বাংলাদেশের অন্দরেই তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং ভারতে হামলা করা। আর দ্বিতীয় প্ল্যান হল, উত্তর-পূর্ব ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা। বিশেষত যে সীমান্তগুলিতে দুরূহ যাতয়াত ব্যবস্থা, সেইসব পাহাড়, জঙ্গল, নদী অঞ্চল দিয়ে ঢুকে পড়া।
বাংলাদেশি জেহাদিদের ব্যবহার করে প্রথমে উত্তর-পূর্ব ভারতে অস্থিরতা তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে আইএসআই। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আসা এই রিপোর্টের পরই প্রবল তৎপরতা শুরু হয়েছে কাউন্টার-টেরোরিজিম বিভাগ এবং গোয়েন্দা সংস্থায়। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের আরও বেশি করে মোতয়েন করা হয়েছে। প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিএসএফকে। সন্দেহজনক কিছু বুঝলে বিএসএফের পূর্ণ অধিকার থাকছে যে কোনও সময় সীমান্ত সিল করে দেওয়ার। 
বাংলার জন্য বিশেষ উদ্বেগজনক বার্তা হল, পাকিস্তানের টার্গেট সিকিম ও শিলিগুড়ি। আইএসঅই এই দুই করিডরকে ব্যবহার করতে চায় ভারতের মূল ভূমির সঙ্গে নেটওয়ার্ক বৃদ্ধির জন্য। আগামী দিনগুলিতে সাম্প্রদায়িক এবং জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানোর চক্রান্ত করা হতে পারে বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা।  বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের আপাতত প্রধান চালিকাশক্তি রাওয়ালপিন্ডি।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ