নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: এক রাতের প্যাকেজ ৫ হাজার টাকা! তাতেই থাকা ও খাওয়া। এমন কমিশনের ভিত্তিতে বাংলাদেশিদের পারাপার করত টোটোচালক ফাঁচকাটু ওরফে মহম্মদ বশিরুল। একদা সে জল প্রকল্পের নিরাপত্তারক্ষী ছিল। টানা চারদিন ধরে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ চক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিস। তবে তারা এখনও পর্যন্ত অনুপ্রবেশ চক্রের অন্যতম এজেন্ট বা ধূরপার্টি ফাঁচকাটুর নাগাল পায়নি। সে কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশিকে সীমান্তের চোরাপথ দিয়ে পারাপার করিয়েছে বলে খবর। এখন অভিযুক্ত এজেন্টের খোঁজে জোর তল্লাশি শুরু করেছে পুলিস।
Advertisement
শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (পূর্ব) রাকেশ সিং অবশ্য বলেন, অভিযুক্ত ওই এজেন্ট পুলিসের সার্ভিলেন্সের মধ্যেই রয়েছে। শীঘ্রই সে ধরা পড়বে বলেই আশাবাদী। একইসঙ্গে বাংলাদেশিদের অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ে কিছু তথ্য মিলেছে। সেগুলি গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে।
চারদিন আগে রাজীবনগরের একটি বাড়ি থেকে তিন বাংলাদেশিকে পাকড়াও করে এনজেপি থানার পুলিস। ধৃতদের জেরা করে পুলিস চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। পুলিস সূত্রে খবর, ফাঁসিদেওয়া সীমান্তের চোরাপথ দিয়ে রাজীবনগরে এসেছিল ধৃত বাংলাদেশিরা। এজন্য তারা ৫ হাজার টাকা করে দেয় এজেন্ট ফাঁচকাটুকে। এতে সে ধৃতদের এক রাতের থাকার ব্যবস্থা করে। তিনবার ভাত, ডাল, সব্জি ও ডিম এবং একবার রুটি ও সব্জি দেওয়া হয়। ধৃতরা সেখানে হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মী পরিচয়ে ওঠে। টোটো করে তাদের এনজেপি স্টেশনে ড্রপ করার কথা ছিল ফাঁচকাটুর।
এনিয়ে পুলিস ও গোয়েন্দাদের বক্তব্য, শুধু হাসপাতালের কর্মী নয়, দিনমজুর কিংবা নিজের আত্মীয়র বেশেও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বাড়িতে আশ্রয় দিত ফাঁচকাটু। এজন্য সে ‘প্যাকেজ’ সিস্টেম চালু করেছিল। দিন অনুসারে প্যাকেজের রেটও নির্ধারণ হতো। এমনকী সে ভারতীয় নাগরিকত্বের জাল নথিও বাংলাদেশিদের বের করে দিত বলে মনে হচ্ছে। পুলিসের এক অফিসার বলেন, তদন্তে মেলা সংশ্লিষ্ট তথ্য গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে।
তবে কে এই ফাঁচকাটু? বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ফুলবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজীবনগরে তার বাড়ি। বয়স ষাট ছাড়িয়েছে। মাঝারি উচ্চতা। গায়ের রং শ্যামলা। বাড়ির ভিত পাকা। টিনের দেওয়াল ও টিনের চাল দেওয়া চারটি ঘর রয়েছে। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একদা ফুলবাড়িতে পানীয় জল প্রকল্পে চুক্তির ভিত্তিতে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করত সে। সংশ্লিষ্ট পদ থেকে অবসর নেওয়ার পর সে টোটোচালকের বেশে ধূরপার্টির কাজকর্ম শুরু করে বলে অভিযোগ। পুলিস ও গোয়েন্দাদের বক্তব্য, ফেরার ফাঁচকাটুর সঙ্গে বাংলাদেশি ধূরপার্টিদের যোগাযোগ রয়েছে। সেই সূত্রেই সে একাধিকবার চোরাপথে বাংলাদেশিদের এপারে এনেছে এবং এপার থেকে বাংলাদেশিদের ওপারে পাঠিয়েছে বলে সন্দেহ।
ফুলবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তৃণমূল কংগ্রেসের রফিকুল ইসলাম অবশ্য বলেন, বয়স্ক ওই টোটোচালক এ ধরনের কর্মকাণ্ড করবে তা অকল্পনীয়। তার বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ উঠেছে, তা মানা যায় না। দেশের সুরক্ষার স্বার্থে ওর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত পুলিসের। এই দাবি পুলিসের কাছে জানিয়েছি।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাতে ফাঁচকাটুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিস তিন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে। সেই দিন ঘটনাস্থল থেকে ফাঁচকাটু সহ আরও চার বাংলাদেশি পালিয়ে যায়। এখনও পর্যন্ত ফেরারদের হদিশ পায়নি পুলিস। ফেরার ফাঁচকাটু উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর কিংবা জলপাইগুড়ির বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গ্রামে গা ঢাকা দিয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।
চারদিন আগে রাজীবনগরের একটি বাড়ি থেকে তিন বাংলাদেশিকে পাকড়াও করে এনজেপি থানার পুলিস। ধৃতদের জেরা করে পুলিস চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। পুলিস সূত্রে খবর, ফাঁসিদেওয়া সীমান্তের চোরাপথ দিয়ে রাজীবনগরে এসেছিল ধৃত বাংলাদেশিরা। এজন্য তারা ৫ হাজার টাকা করে দেয় এজেন্ট ফাঁচকাটুকে। এতে সে ধৃতদের এক রাতের থাকার ব্যবস্থা করে। তিনবার ভাত, ডাল, সব্জি ও ডিম এবং একবার রুটি ও সব্জি দেওয়া হয়। ধৃতরা সেখানে হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মী পরিচয়ে ওঠে। টোটো করে তাদের এনজেপি স্টেশনে ড্রপ করার কথা ছিল ফাঁচকাটুর।
এনিয়ে পুলিস ও গোয়েন্দাদের বক্তব্য, শুধু হাসপাতালের কর্মী নয়, দিনমজুর কিংবা নিজের আত্মীয়র বেশেও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বাড়িতে আশ্রয় দিত ফাঁচকাটু। এজন্য সে ‘প্যাকেজ’ সিস্টেম চালু করেছিল। দিন অনুসারে প্যাকেজের রেটও নির্ধারণ হতো। এমনকী সে ভারতীয় নাগরিকত্বের জাল নথিও বাংলাদেশিদের বের করে দিত বলে মনে হচ্ছে। পুলিসের এক অফিসার বলেন, তদন্তে মেলা সংশ্লিষ্ট তথ্য গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে।
তবে কে এই ফাঁচকাটু? বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ফুলবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজীবনগরে তার বাড়ি। বয়স ষাট ছাড়িয়েছে। মাঝারি উচ্চতা। গায়ের রং শ্যামলা। বাড়ির ভিত পাকা। টিনের দেওয়াল ও টিনের চাল দেওয়া চারটি ঘর রয়েছে। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একদা ফুলবাড়িতে পানীয় জল প্রকল্পে চুক্তির ভিত্তিতে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করত সে। সংশ্লিষ্ট পদ থেকে অবসর নেওয়ার পর সে টোটোচালকের বেশে ধূরপার্টির কাজকর্ম শুরু করে বলে অভিযোগ। পুলিস ও গোয়েন্দাদের বক্তব্য, ফেরার ফাঁচকাটুর সঙ্গে বাংলাদেশি ধূরপার্টিদের যোগাযোগ রয়েছে। সেই সূত্রেই সে একাধিকবার চোরাপথে বাংলাদেশিদের এপারে এনেছে এবং এপার থেকে বাংলাদেশিদের ওপারে পাঠিয়েছে বলে সন্দেহ।
ফুলবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তৃণমূল কংগ্রেসের রফিকুল ইসলাম অবশ্য বলেন, বয়স্ক ওই টোটোচালক এ ধরনের কর্মকাণ্ড করবে তা অকল্পনীয়। তার বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ উঠেছে, তা মানা যায় না। দেশের সুরক্ষার স্বার্থে ওর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত পুলিসের। এই দাবি পুলিসের কাছে জানিয়েছি।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাতে ফাঁচকাটুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিস তিন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে। সেই দিন ঘটনাস্থল থেকে ফাঁচকাটু সহ আরও চার বাংলাদেশি পালিয়ে যায়। এখনও পর্যন্ত ফেরারদের হদিশ পায়নি পুলিস। ফেরার ফাঁচকাটু উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর কিংবা জলপাইগুড়ির বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গ্রামে গা ঢাকা দিয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।



