সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ফের পুলিসের জালে উঠল তিন বালি মাফিয়া। বৃহস্পতিবার ময়নাগুড়ি ব্লকের পৃথক দু’টি জায়গায় অভিযান চালিয়ে এই সাফল্য আসে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম টিপু উদ্দিন, রাজকুমার রায় ও নিমাই মণ্ডল। অন্যদিকে, বুধবারও একজনকে পুলিস ধরেছিল। এনিয়ে গত দুই সপ্তাহে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ময়নাগুড়ি থানার দাবি, বেআইনিভাবে নদী থেকে বালি উত্তোলন কিংবা পুকুর থেকে মাটি তোলা হলেই গ্রেপ্তার করা হবে। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনগণকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন থানার অফিসাররা।
Advertisement
ময়নাগুড়ির হঠাৎ কলোনির উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে জর্দা নদী। প্রশাসনের নজর এড়িয়ে রাতের অন্ধকারে বালি মাফিয়াদের শুরু হয় তাণ্ডব। বস্তায় বস্তায় বালি ভুটভুটিতে তুলে পাচার করা হয়। বৃহস্পতিবার ভোরে ময়নাগুড়ি থানার টিম নদীর চরে অভিযানে যায়। ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজন পালিয়ে যায়। টিপু উদ্দিন, রাজকুমার রায়কে পুলিস হাতেনাতে ধরে। ওই অভিযান শেষ হতেই পুলিসের কাছে খবর আসে চূড়াভাণ্ডারে অবৈধভাবে দিঘি থেকে মাটি খনন চলছে। সেখানে গিয়ে নিমাই মণ্ডল নামে একজনকে ট্রলি সহ গ্রেপ্তার করে পুলিস। তার কাছে পুকুর খননের কোনও অনুমতি ছিল না।
ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, ব্লকের জলাশয়, নদীগুলিতে দিনে-রাতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বালি তোলা বরদাস্ত করা হবে না। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনজনকে ধরা হয়েছে। এমন অভিযান চলবে। থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, গত পনেরো দিনে ১০টি বালি বোঝাই ট্রাক্টর আটক করা হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলার রুজু করে তদন্ত চলছে। মূলত জর্দা নদী থেকেই বেআইনিভাবে বালি তোলা হচ্ছে। তাই নদী সংলগ্ন বাসিন্দাদের এ ব্যাপারে পুলিসকে জানতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। তাঁরা যদি এই অবৈধ কারবার না রোখেন তবে বর্ষার সময় তাঁদেরই বিপদ হতে পারে বলে পুলিসের পক্ষ থেকে প্রচারও করা হচ্ছে।
ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, ব্লকের জলাশয়, নদীগুলিতে দিনে-রাতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বালি তোলা বরদাস্ত করা হবে না। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনজনকে ধরা হয়েছে। এমন অভিযান চলবে। থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, গত পনেরো দিনে ১০টি বালি বোঝাই ট্রাক্টর আটক করা হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলার রুজু করে তদন্ত চলছে। মূলত জর্দা নদী থেকেই বেআইনিভাবে বালি তোলা হচ্ছে। তাই নদী সংলগ্ন বাসিন্দাদের এ ব্যাপারে পুলিসকে জানতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। তাঁরা যদি এই অবৈধ কারবার না রোখেন তবে বর্ষার সময় তাঁদেরই বিপদ হতে পারে বলে পুলিসের পক্ষ থেকে প্রচারও করা হচ্ছে।



