নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নাচতে না জানলে উঠোন বাঁকা। প্রাচীন প্রবাদ গাওয়া ঘিয়ের মতোই খাঁটি। কেন উঠছে এই প্রসঙ্গ? মঙ্গলবার আইএসএলের সোশাল মিডিয়ায় দিমিত্রিয়স দিয়ামানতাকোসের সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়। যুবভারতীর সবুজ ঘাসে চেয়ার পেতে পা নাচাতে নাচাতে দিমি সাফাই গাইছেন। ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণ হিসেবে তিনি বলছেন, কেরল ব্লাস্টার্সে বল সাজিয়ে দেওয়ার ফুটবলার বেশি ছিল। উরুগুয়ের আদ্রিয়ান লুনার পাস থেকে একাধিক লক্ষ্যভেদ রয়েছে গ্রিক স্ট্রাইকারের। কিন্তু ইস্ট বেঙ্গলে নাকি বলের জোগান কম। তাছাড়া বোঝাপড়ার অভাবও রয়েছে। এছাড়া দিয়ামানতাকোস বলতে চেয়েছেন, মাধি তালাল ও সাউল ক্রেসপো চোট পাওয়ার পর তিনি পছন্দের জায়গায় বল পাচ্ছেন না। তাঁর ‘মুভমেন্ট’ বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে বাকিদের। এখানেই থামেননি তিনি। হাবেভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন, বলের সাপ্লাই ঠিক হলে তিনি নিশ্চয়ই বিপক্ষের জাল কাঁপাবেন।
Advertisement
এটা ঠিকই যে, গত মরশুমে আইএসএলের সর্বাধিক স্কোরার দিয়ামানতাকোস। কিন্তু এবার তিনি চূড়ান্ত ব্যর্থ। তবে তা নিয়ে তাঁর মাথাব্যথা নেই। বিপক্ষের বক্সে সুযোগ নষ্ট করেই তিনি অহেতুক হাত-পা ছুড়ছেন! পরিসংখ্যানে একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক। আইএসএলে ১৫ ম্যাচে তাঁর গোলের সংখ্যা মাত্র ৩। ১১৫৯ মিনিট খেলে কনভার্সন রেট মাত্র ১৮.৭৫। মোহন বাগানের ডিফেন্ডার শুভাশিস বসুর (৬) গোলসংখ্যাও দিমির চেয়ে বেশি। সমর্থকদের প্রশ্ন, লক্ষ্যভেদের বুটজোড়া কি মহাকুম্ভের ভিড়ে হারিয়ে গেল? চলতি আইএসএলের তিনটি গোলের একটি এসেছে পেনাল্টি থেকে। অথচ বিদেশি বলে তিনি এখনও কোচের অটোমেটিক চয়েস। অল্প সুযোগ পেয়েই গোল পেয়েছেন ডেভিড। কিন্তু তিনি যে ভারতীয়! এছাড়া বেঞ্চে বসে বসে জেসিন টিকের আত্মবিশ্বাস তলানিতে। কুয়াদ্রাত কিংবা অস্কার ব্রুজোঁ, দু’জনেই প্রতিশ্রুতিসম্পন্ন স্বদেশিদের অগ্রাহ্য করে ব্যর্থ বিদেশির উপর আস্থা রাখছেন।



