নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে একাধিক ডাকাতির ঘটনায় অভিযুক্ত বিহারের গ্যাংস্টার সুশীল মোচি সম্প্রতি বিহারে এসটিএফের এনকাউন্টারে খতম হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর সে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ডাকাতি করে বেড়াচ্ছিল। ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ এই অপরাধীকে দীর্ঘদিন ধরেই খুঁজছিল রাজ্য পুলিস।
Advertisement
রাজ্য পুলিস সূত্রের খবর, বিহারের এই কুখ্যাত মাফিয়ার নিজস্ব গ্যাং রয়েছে। যেকোনও অপারেশনে নেতৃত্ব দিত সুশীল নিজে। মূলত জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের বাড়ি ছিল তার টার্গেট। ডাকাতিতে বাধা পেয়েই সে খুনের ঘটনা ঘটিয়েছিল। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের হুমকি ফোন করে তোলা আদায়ও করত সে। এরাজ্যে তার বিরুদ্ধে ডজনখানেকের বেশি অভিযোগ রয়েছে। পূর্ণিয়া থেকে সহজেই উত্তরবঙ্গে ঢুকে পড়া যায় বলে সে এই জায়গাকে টার্গেট করেছিল। গত এক বছরে ইসলামপুর ও রায়গঞ্জ পুলিস জেলার ডালখোলা, চাকুলিয়া, চোপড়া, করণদিঘি প্রভৃতি থানা এলাকায় সে ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে। একইসঙ্গে বিহারের পূর্ণিয়া, কাটিহার, কিষানগঞ্জেও ডাকাতি, খুন ও তোলাবাজির মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
বিহার পুলিস সূত্রের খবর, গ্যাংস্টার সুশীলের ‘মাস মাইনে’ করা টিম রয়েছে। তার টিমের সদস্য সংখ্যা পঞ্চাশের উপর। চাকরির পরীক্ষার মতোই তার গ্যাংয়ে প্রতিবছর তরুণদের নিয়োগ করা হতো। তাদের প্রশিক্ষণ দিত সুশীল। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের আর্মস দিয়ে অপারেশনে পাঠানো হতো। রাজ্যে যে-ক’টি ডাকাতির ঘটনা সে ঘটিয়েছে তার প্রত্যেকটিতেই নিজে এসেছিল এই গ্যাংস্টার।
তার আগে এলাকা রেকি করে যেত মোচি। সবক’টি ক্ষেত্রেই বিহার থেকে গাড়ি নিয়ে বাংলায় এসেছে সে। যে-বাড়িতে হানা দেবে বলে সে টার্গেট করত, গাড়ি রাখত সেখান থেকে এক কিলোমিটার দূরে। মোচি গন্তব্যে পৌঁছত স্থানীয় বাইকে অথবা হেঁটে। অপারেশন শেষে গ্যাংস্টার বাইকে করে পৌঁছত গাড়ির কাছে। সবশেষে গাড়ি চড়েই চম্পট দিত সে।
ডালখোলা, চাকুলিয়া, করণদিঘিতে তার বেশকিছু শাগরেদ রয়েছে। সুশীল মোচিকে গাড়িসহ বিভিন্ন লজিস্টিক সাপোর্ট তারা দিত বলে খবর। রীতিমতো ত্রাস এই দুষ্কৃতী ধরা পড়ার পর কাটিহার জেলে ছিল। গতবছর জানুয়ারিতে জামিন পাওয়ার পর থেকে মোচি বাংলা ও বিহারের একের পর জায়গায় অপরাধ করছিল। মোস্ট ওয়ান্টেড এই দুর্বৃত্ত পূর্ণিয়া এলাকায় ছিল জানতে পারার পর, দিনকয়েক আগে বিহার এসটিএফের একটি দল সেখানে পৌঁছয়। পুলিস তাকে ঘিরে ফেললে এই ডন তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে। পুলিসও পাল্টা গুলি চালায় তাকে তাক করে। পুলিস জানিয়েছে, এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় সুশীল মোচির।
বিহার পুলিস সূত্রের খবর, গ্যাংস্টার সুশীলের ‘মাস মাইনে’ করা টিম রয়েছে। তার টিমের সদস্য সংখ্যা পঞ্চাশের উপর। চাকরির পরীক্ষার মতোই তার গ্যাংয়ে প্রতিবছর তরুণদের নিয়োগ করা হতো। তাদের প্রশিক্ষণ দিত সুশীল। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের আর্মস দিয়ে অপারেশনে পাঠানো হতো। রাজ্যে যে-ক’টি ডাকাতির ঘটনা সে ঘটিয়েছে তার প্রত্যেকটিতেই নিজে এসেছিল এই গ্যাংস্টার।
তার আগে এলাকা রেকি করে যেত মোচি। সবক’টি ক্ষেত্রেই বিহার থেকে গাড়ি নিয়ে বাংলায় এসেছে সে। যে-বাড়িতে হানা দেবে বলে সে টার্গেট করত, গাড়ি রাখত সেখান থেকে এক কিলোমিটার দূরে। মোচি গন্তব্যে পৌঁছত স্থানীয় বাইকে অথবা হেঁটে। অপারেশন শেষে গ্যাংস্টার বাইকে করে পৌঁছত গাড়ির কাছে। সবশেষে গাড়ি চড়েই চম্পট দিত সে।
ডালখোলা, চাকুলিয়া, করণদিঘিতে তার বেশকিছু শাগরেদ রয়েছে। সুশীল মোচিকে গাড়িসহ বিভিন্ন লজিস্টিক সাপোর্ট তারা দিত বলে খবর। রীতিমতো ত্রাস এই দুষ্কৃতী ধরা পড়ার পর কাটিহার জেলে ছিল। গতবছর জানুয়ারিতে জামিন পাওয়ার পর থেকে মোচি বাংলা ও বিহারের একের পর জায়গায় অপরাধ করছিল। মোস্ট ওয়ান্টেড এই দুর্বৃত্ত পূর্ণিয়া এলাকায় ছিল জানতে পারার পর, দিনকয়েক আগে বিহার এসটিএফের একটি দল সেখানে পৌঁছয়। পুলিস তাকে ঘিরে ফেললে এই ডন তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে। পুলিসও পাল্টা গুলি চালায় তাকে তাক করে। পুলিস জানিয়েছে, এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় সুশীল মোচির।



