সংবাদদাতা, বারুইপুর: আর্থিক দেনা ও সংসার চালানোর টাকা দিতে না পারায় অশান্তির জেরে আত্মঘাতী হলেন এক প্রৌঢ়। ঘরের ভিতর ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় দেহ। মৃতের নাম উত্তম মারিক (৫২)। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সকালে বারুইপুরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ড পুরাতন থানা এলাকায়। ঘটনাস্থলে আসে বারুইপুর থানার পুলিস। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে খবর, ২০ বছর আগে উত্তম মারিকের সঙ্গে সঙ্গীতা মারিকের বিয়ে হয়েছিল। বারুইপুরের বিড়াল গ্রামে সঙ্গীতার বাড়ি। দম্পতির একটি মেয়ে আছে। সে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। উত্তমবাবু প্রথমে মাছ বিক্রির কাজ করতেন। তারপর দালালির কাজ শুরু করেন। স্ত্রী বলেন, বাজারেও অনেক টাকা দেনা হয়ে গিয়েছিল স্বামীর। আমার সঙ্গে এই ব্যাপারে কোনও আলোচনাই করত না। টাকা পয়সা চাইলে অপমান করত। বৃহস্পতিবার রাতেও অশান্তি হয়। সেই কারণে রাগ করে আমি মেয়েকে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে যাই। এরপর ফোন করলেও ফোন ধরেনি। শুক্রবার সকালে এসে দেখি ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। এক প্রতিবেশী এসে ঘরের লক ভাঙে। তারপর দেখি জানালার সঙ্গে স্বামীর ঝুলন্ত দেহ। সঙ্গীতাদেবী বলেন, ও এইভাবে আত্মহত্যা করবে ভাবিনি। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।



