Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযান জমল না, গরহাজির দলের বহু সাংসদ, বিধায়কই

গর্জনই সার! পদ্মশিবিরের উত্তরকন্যা অভিযানের নামে পদযাত্রা ও সভা শেষপর্যন্ত নিতান্তই আনুষ্ঠানিক হয়ে দাঁড়াল। সোমবার তিনবাত্তি থেকে চুনাভাটি পর্যন্ত পদযাত্রা ও সভা করে যুব মোর্চা।

বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযান জমল না, গরহাজির দলের বহু সাংসদ, বিধায়কই
  • ২২ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: গর্জনই সার! পদ্মশিবিরের উত্তরকন্যা অভিযানের নামে পদযাত্রা ও সভা শেষপর্যন্ত নিতান্তই আনুষ্ঠানিক হয়ে দাঁড়াল। সোমবার তিনবাত্তি থেকে চুনাভাটি পর্যন্ত পদযাত্রা ও সভা করে যুব মোর্চা। সেখানে গরহাজির ছিলেন একাধিক সাংসদ ও বিধায়ক। সাংসদদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রাজু বিস্তা, কার্তিক চন্দ্র পাল ও খগেন মুর্মু প্রমুখ। কার্শিয়াংয়ের বিধায়কের গলায় বিদ্রোহের সুর সপ্তমে উঠেছে। শুধু তাই নয়, জমায়েতও নজর টানতে পারেনি বলে রাজনৈতিক মহলের দাবি। তবে, ৪ আগস্ট দলের বিধায়করা ফের উত্তরকন্যা অভিযান করবেন। 

Advertisement

নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ ও কন্যা সুরক্ষার দাবিতে উত্তরকন্যা অভিযানের নামে পদযাত্রা ও সভা করে গেরুয়া শিবির। অনুপস্থিত বিধায়কদের মধ্যে কার্শিয়াংয়ের বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা অন্যতম। তিনি এদিন শিলিগুড়িতে নিজের বাড়িতে ছিলেন। বলেন, ওই কর্মসূচিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে যে ইস্যুতে এই কর্মসূচি হয়েছে, তা নিয়ে বিধানসভা ও লোকসভায় আলোচনা করে কড়া আইন তৈরি করতে পারতাম। সেব্যাপারে কেউ ভাবছে না। 
এপ্রসঙ্গে বিজেপির যুব মোর্চার শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা কমিটির সভাপতি অরিজিৎ দাস অবশ্য বলেন, কয়েকদিন আগে এই কর্মসূচির আমন্ত্রণপত্র নিয়ে কার্শিয়াংয়ের বিধায়কের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তিনি বাইরে থাকায় পৌঁছনো সম্ভব হয়নি। উত্তরবঙ্গের কয়েকজন বিধায়ক বিভিন্ন কারণে আসতে পারেননি। এমপিদের অধিকাংশ রয়েছেন দিল্লিতে। 
উত্তরবঙ্গ পদ্ম শিবিরের অন্যতম ঘাঁটি। কোচবিহার থেকে মালদহ পর্যন্ত আটটি লোকসভা কেন্দ্রের ছ’টিই তাদের কব্জায়। বর্তমানে প্রায় ২৫টি বিধানসভা কেন্দ্র তাদের। এমন প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিন ধরে প্রচার চালানোর পর এদিন শিলিগুড়ি শহরে এশিয়ান হাইওয়ের তিনবাত্তি মোড়ে জমায়েত করে পদ্মশিবির। মিছিল মিনি সচিবালয় উত্তরকন্যার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় পদ্মশিবিরের একাংশ সেখানে জটলা পাকানোর চেষ্টা করলে সরিয়ে দেয় পুলিস। পরে, ফুলবাড়ির চুনাভাটি ফুটবল ময়দানে সভা করে রাজ্য সরকারের সমালোচনা করা হয়।
এনিয়ে তৃণমূলের দার্জিলিং জেলার মুখপাত্র (সমতল) বেদব্রত দত্ত বলেন, কলকাতায় একুশের সভায় জনসুনামি। আর ফুলবাড়িতে বিজেপির কর্মসূচি ফ্লপ। এর থেকেই স্পষ্ট, ছাব্বিশে এখানকার মাটি থেকে সাফ হবে ওরা। 
এদিন বিজেপির কর্মসূচিতে যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ, দলের শিলিগুড়ি সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি অরুণ মণ্ডল, বিধায়ক আনন্দময় বর্মন, দুর্গা মুর্মু, শিখা চট্টোপাধ্যায়, দীপক বর্মন, এমপি মনোজ টিগ্গা প্রমুখ ছিলেন। আনন্দময় বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে সভা ও পদযাত্রা করা হয়েছে। রোদ উপেক্ষা মানুষ এসেছিলেন। আতঙ্কে তৃণমূল আবোলতাবোল বকছে।  প্রবল রোদ। পাতা দিয়েই মাথা বাঁচানোর চেষ্টা বিজেপি সমর্থকদের। - নিজস্ব চিত্র। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ