সংবাদদাতা, রামপুরহাট: কুম্ভমেলায় শাহীস্নানে গিয়ে মৃত রামপুরহাটের প্রৌঢ়া গায়ত্রী দে-র দেহ সোমবার বিকেলে এসে পৌঁছল। মৃতদেহের উপর থাকা প্যাকেটে ‘৬৮’ নম্বর ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তা মৃতদেহের সিরিয়াল নম্বর কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ওই ঘটনায় সরকারিভাবে এখনও পর্যন্ত ৩০জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। তাহলে মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা কত? বিজেপিশাসিত উত্তরপ্রদেশের সরকারকে বিঁধছে তৃণমূল।
Advertisement
গত সোমবার ৩১জনের দলের সঙ্গে কুম্ভমেলায় যান রামপুরহাটের ১১নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা গায়ত্রীদেবী। মঙ্গলবার রাত থেকে তাঁর সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ করতে পারছিল না পরিরার। শুক্রবার বিকেলে এলাকার একজনের মোবাইলে কুম্ভমেলায় মৃতদের ছবি দেখে ওই প্রৌঢ়াকে চিনতে পারে পরিবার। পদপিষ্ট হয়ে গায়ত্রীদেবীর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা। গত শনিবার রাতে পুরসভার ব্যবস্থাপনায় গাড়ি নিয়ে প্রয়াগরাজ্যের উদ্দেশে রওনা দেন প্রৌঢ়ার ছেলে প্রতাপ দে ও এলাকার দুই যুবক। রবিবার বিকেলে সেখানকার মতিলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজের মর্গে মায়ের দেহ শনাক্ত করেন প্রতাপ। তিনি সেখানেই ময়নাতদন্ত করার জন্য আবেদন জানালেও কর্ণপাত করা হয়নি। ময়নাতদন্ত ছাড়াই সেখানকার অ্যাম্বুলেন্সে একজন পুলিসকর্মী দিয়ে দেহ রামপুরহাটের উদ্দেশে পাঠানো হয়। সোমবার বিকেলে দেহ রামপুরহাট মেডিক্যালে আসে। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন রামপুরহাটের এসডিও, এসডিপিও, পুরসভার চেয়ারম্যান প্রমুখ। অভিযোগ, মৃত্যুর শংসাপত্র বা কোনও কাগজপত্র ছাড়াই দেহ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে রামপুরহাট মেডিক্যালে দেহের ময়নাতদন্ত নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। অবশেষে ‘ব্রড ডেড’ দেখিয়ে ময়নাতদন্ত করা হয়। যদিও মহকুমশাসক সৌরভ পাণ্ডে বলেন, সেখানকার সরকার পরে কাগজপত্র শেয়ার করবে হতে পারে।
এদিকে যে চেন দেওয়া প্যাকেটে মুড়ে দেহ পাঠানো হয়েছে তার গায়ে ৬৮ নম্বর লেখা রয়েছে। সরকারি হিসেবে মৃতের সংখ্যা যা বলা হচ্ছে, তার চেয়ে আরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন বলেও দাবি করে আসছে বিরোধীরা। স্বভাবতই এই নম্বর ঘিরে সন্দেহ দানা বেঁধেছে অনেকের মনে। চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত বলেন, কোনও কাগজপত্র ছাড়াই দেহ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র একটা সাদা কাগজের চিরকুট দেওয়া হয়েছে। তাতে মৃতার ছেলেকে দেহ হস্তান্তর করা হয়েছে সেটা লেখা রয়েছে। সেখানে উত্তরপ্রদেশ সরকারের কোনও সিল-ছাপ নেই। কী করে একটা সরকার ময়নাতদন্ত, ডেথ সার্টিফিকেট ছাড়াই দেহ ছেড়ে দিতে পারে? দেহের উপর আইডেন্টিটিফিকেশন হিসেবে ৬৮ নম্বর লেখা রয়েছে। অর্থাৎ ৩০ নয়, ৬৮ এরও বেশি মানুষ কুম্ভস্নানে গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে মারা গিয়েছেন। মৃতের সংখ্যা গোপন করছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। মৃতার ছেলে প্রতাপ দে বলেন, ৬৮-জনের রেশি মানুষ মারা গিয়েছেন। যাকে যখন হাসপাতালে ঢুকিয়েছে সেই মতো নম্বর দেওয়া হয়েছে। মায়ের নম্বর ৬৮।
তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরা আগেই আশঙ্কা করেছিলাম। তারই পর্দা ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে। রামপুরহাটে যে দেহ এসে পৌঁছেছে তাঁর গায়ে ৬৮ লেখা রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে সন্দেহ জাগছে, মৃতের সংখ্যা ৩০ নয়, দ্বিগুণেরও বেশি। সেখানকার বিজেপি সরকার চরম সত্যটাকে চেপে রেখেছে তার প্রমাণ এটা। যদিও বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল বলেন, হতে পারে মৃতদেহের নম্বরের বিষয়টি এক থেকে শুরু না করে আরও পর থেকে করেছে। ইউপি সরকার বলছে ৩০, হতে পারে উনিশ-বিশ। ফলে এখান থেকে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তবে ওই পরিবার যাতে সরকার ঘোষিত ক্ষতিপূরণ পায় সেই বিষয়টি আমরা দেখব।
এদিকে যে চেন দেওয়া প্যাকেটে মুড়ে দেহ পাঠানো হয়েছে তার গায়ে ৬৮ নম্বর লেখা রয়েছে। সরকারি হিসেবে মৃতের সংখ্যা যা বলা হচ্ছে, তার চেয়ে আরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন বলেও দাবি করে আসছে বিরোধীরা। স্বভাবতই এই নম্বর ঘিরে সন্দেহ দানা বেঁধেছে অনেকের মনে। চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত বলেন, কোনও কাগজপত্র ছাড়াই দেহ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র একটা সাদা কাগজের চিরকুট দেওয়া হয়েছে। তাতে মৃতার ছেলেকে দেহ হস্তান্তর করা হয়েছে সেটা লেখা রয়েছে। সেখানে উত্তরপ্রদেশ সরকারের কোনও সিল-ছাপ নেই। কী করে একটা সরকার ময়নাতদন্ত, ডেথ সার্টিফিকেট ছাড়াই দেহ ছেড়ে দিতে পারে? দেহের উপর আইডেন্টিটিফিকেশন হিসেবে ৬৮ নম্বর লেখা রয়েছে। অর্থাৎ ৩০ নয়, ৬৮ এরও বেশি মানুষ কুম্ভস্নানে গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে মারা গিয়েছেন। মৃতের সংখ্যা গোপন করছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। মৃতার ছেলে প্রতাপ দে বলেন, ৬৮-জনের রেশি মানুষ মারা গিয়েছেন। যাকে যখন হাসপাতালে ঢুকিয়েছে সেই মতো নম্বর দেওয়া হয়েছে। মায়ের নম্বর ৬৮।
তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরা আগেই আশঙ্কা করেছিলাম। তারই পর্দা ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে। রামপুরহাটে যে দেহ এসে পৌঁছেছে তাঁর গায়ে ৬৮ লেখা রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে সন্দেহ জাগছে, মৃতের সংখ্যা ৩০ নয়, দ্বিগুণেরও বেশি। সেখানকার বিজেপি সরকার চরম সত্যটাকে চেপে রেখেছে তার প্রমাণ এটা। যদিও বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল বলেন, হতে পারে মৃতদেহের নম্বরের বিষয়টি এক থেকে শুরু না করে আরও পর থেকে করেছে। ইউপি সরকার বলছে ৩০, হতে পারে উনিশ-বিশ। ফলে এখান থেকে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তবে ওই পরিবার যাতে সরকার ঘোষিত ক্ষতিপূরণ পায় সেই বিষয়টি আমরা দেখব।



