Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

৪ মে সরষে ফুল দেখবে বিজেপি, রায়নায় হুংকার অভিষেকের

রাজ্যজুড়ে নির্বাচনের প্রচার তুঙ্গে। ভোটের ভাগ্যদেবী শেষ পর্যন্ত কার মাথায় আশীর্বাদের হাত রাখেন, জানা যাবে ৪ মে। তবে রাজ্যের শাসক দল নিশ্চিত, তাদের প্রত্যাবর্তন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা! তাই আত্মবিশ্বাসে ভরপুর জোড়াফুল শিবির।

৪ মে সরষে ফুল দেখবে বিজেপি, রায়নায় হুংকার অভিষেকের
  • ৬ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সুখেন্দু পাল, সৌম্যজিৎ সাহাm বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, রায়না, গোসবা ও বজবজ: রাজ্যজুড়ে নির্বাচনের প্রচার তুঙ্গে। ভোটের ভাগ্যদেবী শেষ পর্যন্ত কার মাথায় আশীর্বাদের হাত রাখেন, জানা যাবে ৪ মে। তবে রাজ্যের শাসক দল নিশ্চিত, তাদের প্রত্যাবর্তন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা! তাই আত্মবিশ্বাসে ভরপুর জোড়াফুল শিবির। কর্মী-সমর্থকদের এই আত্মবিশ্বাস আরও সংহত করতে জোরালো বার্তা দিলেন তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘বিজেপির বিপর্যয় অনিবার্য। ৪ মে বিজেপি নেতারা চোখে সরষে ফুল দেখবেন।’ রবিবার পূর্ব বর্ধমানের রায়নার শ্যামসুন্দরে ভিড়ে ঠাসা সভা থেকে এই হুংকার দেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। শুধু হারানো নয়, তিনি বিজেপি প্রার্থীদের জমানত জব্দ করার ডাক দিয়েছেন। বহু জায়গায় বিজেপি সিপিএমের বলে বলীয়ান বলে দাবি করে তিনি বলেন, ‘বিজেপিকে ভোট দেওয়া মানে সিপিএমের হার্মাদদের সমর্থন করা। ধর্মের ভিত্তিতে নয়, কর্মের ভিত্তিতে লড়াই হোক। প্রথম দফার ভোট থেকেই ওদের বিপর্যয় শুরু হয়ে যাবে। প্রথম দফায় গণতান্ত্রিকভাবে মানুষ বিজেপির মাথা, ঘাড় ভাঙবে। শেষ দফায় মেরুদণ্ড।’ 

Advertisement

এদিন রায়নায় সভা শুরুর আগে কালো মেঘ ঘনিয়ে আসে। সঙ্গে ঝিরঝিরে বৃষ্টি। তা উপেক্ষা করেই সভায় ভিড় উপচে পড়ে। অভিষেক বলেন, ‘১২ বছর কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকার পরও বিজেপি কৃষক, শ্রমিক, তফসিলিদের জন্য কিছু করেনি। তফসিলিদের উপর সব থেকে বেশি অত্যাচার হয়েছে ডবল ইঞ্জিন উত্তরপ্রদেশে। মানুষকে বারবার লাইনে দাঁড় করিয়েছে।’ দলের একাংশের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, ‘কোথাও কোথাও বিভীষণরা গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে। সবার উপর নজর রয়েছে। বিজেপির থেকে টাকা নিয়ে তৃণমূলকে দুর্বল করার চেষ্টা হচ্ছে। তাঁদের সতর্ক করছি। ৪ তারিখের পর দেখা হবে।’ এদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাতগাছিয়া, গোসাবার সভা থেকেও মোদির দলকে তুলোধোনা করেন অভিষেক। বলেন, ‘এক মাস পর বিজেপি ভোকাট্টা হয়ে যাবে। এমনভাবে ইভিএমের বোতাম টিপুন, যাতে গুজরাতে ভূমিকম্প হয়।’ 
রায়নার সভায় রাজ্যের দুই মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী, সাংসদ শর্মিলা সরকার সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে অভিষেক বলেন, ‘এই লড়াই শুধু তৃণমূলকে জেতানোর জন্য নয়, মানুষের অধিকারের লড়াই। তৃণমূল থাকলে অধিকার সুরক্ষিত থাকবে। বিজেপি কোথাও মাথাচাড়া দিলে অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকবে মানুষ। কারণ, ওরা বাংলাকে বঞ্চিত করেছে। বাড়ি তৈরির জন্য গত ৫ বছরে টাকা দেয়নি। ১০০ দিনের কাজ, জল জীবন মিশনের টাকা দেয়নি। তাতে কিন্তু বাংলার উন্নয়ন থেমে নেই। আমাদের সরকার বাড়ি তৈরি করে দিয়েছে।’ বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাংলাভাষীদের উপর অত্যাচার নিয়েও এই ভোটে মানুষকে জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর মতে, ‘এবার প্রতিশোধের ভোট’। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ