Bartaman Logo
২৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত প্রশাসন

শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ির একাধিক জায়গায় দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। সেচদপ্তর এ ব্যাপারে রিপোর্ট পাঠিয়েছে মিনি সচিবালয় উত্তরকন্যায়।

দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত প্রশাসন
  • ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: প্রতিবেশী দেশ নেপালের হড়পা বানের ঘটনা উসকে দিল সিকিম ও দার্জিলিং বিপর্যয়ের স্মৃতি। বুধবার দিনভর দার্জিলিং ও কালিম্পং পাহাড়ে এবং শিলিগুড়িতে পুরনো দু’টি ঘটনা নিয়ে চলেছে চর্চা। এজন্য পাহাড়ের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন। অন্যদিকে, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ির একাধিক জায়গায় দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। সেচদপ্তর এ ব্যাপারে রিপোর্ট পাঠিয়েছে মিনি সচিবালয় উত্তরকন্যায়। 

Advertisement

নেপালের বিধ্বংসী দুর্যোগের ভিডিয়ো ভাইরাল হয়। পাহাড়ের গা বেয়ে হুড়মুড়িরে ধেয়ে নীচে নামছে জলোচ্ছ্বাস। এতেই দার্জিলিং, কালিম্পং ও শিলিগুড়িতে পুরনো দু’টি বিপর্যয়ের ঘটনা নিয়ে চর্চা শুরু হয়। হাট-বাজার, চায়ের দোকানের আড্ডায় স্থানীয়রা বলেন, ২০২৩ সালে সিকিম হ্রদ বিস্ফোরণে তিস্তা নদী বিধ্বংসী রূপ নিয়েছিল। তিস্তার সেই তাণ্ডবে তছনছ হয়ে যায় সিকিম, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির একাংশ। এরপর ২০২৫ সালে দু’দিনের বৃষ্টির জেরে নদী, ঝোরার জলোচ্ছ্বাস ও ধসে বিধ্বস্ত হয় দার্জিলিং। রাস্তা, সেতু, বাড়ি, কমলা বাগান, পর্যটন কেন্দ্র তছনছ হয়ে যায়। নেপালের প্রলয়ের ভিডিয়ো দেখে সেই দু’টি ঘটনা নিয়েই স্থানীয়রা আলোচনা করেন। তাঁদের আশঙ্কা, যেকোনো সময় দার্জিলিং ও কালিম্পং পাহাড়ে এমন ভয়াবহ ঘটনা ঘটতে পারে। 
উত্তরকন্যার এক আধিকারিক জানান, নেপালের বিপর্যয় নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের ধসেপ্রবণ এলাকাগুলির উপর নজর রাখা হয়েছে। সিভিল ডিফেন্স সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি এবং কোচবিহারের হলদিবাড়িতে ভারী বৃষ্টি হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। এতে জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির দোমোহনিতে তিস্তা নদীর বাঁ পাড়ের বাঁধে বেশকিছু এলাকায় রেইন কার্ট দেখা দিয়েছে। সবমিলিয়ে বাঁধের প্রায় ১২৫ মিটার অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দার্জিলিং জেলার মাটিগাড়ায় রোহিণী নদীর ডান দিকে সুকনা মিলিটারি ক্যাম্প এলাকায় ১২৫ মিটার এলাকায় নদী পাড় ভাঙছে। মহানন্দা নদীর গুলমা এলাকায় ৯৫ মিটার ভাঙন দেখা দিয়েছে। খড়িবাড়ির মনসাজোতে ফের পাড় ভাঙছে খেমচি নদী। নকশালবাড়িতে মিংহারা গ্রামে ১৬০ মিটার এলাকাজুড়ে ভাঙছে চেঙ্গা নদী।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ