নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে গুরুত্বপূর্ণ উপনির্বাচন। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর এটিই বিজেপির প্রথম ভোট। সেই কারণে নির্বাচনি প্রস্তুতিতে রীতিমতো মরিয়া শাসক শিবির। কিন্তু এই দু’টি কেন্দ্রের আসন্ন উপনির্বাচনে দলের শীর্ষস্তরের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রচার নিয়ে যথেষ্ট ধন্দের মধ্যে রয়েছে পদ্মশিবির। জানা যাচ্ছে, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে শীর্ষ কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রচারে আসার সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। এমনকি আসবেন না বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীনও। তবে বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে অংশ নিতে পারেন। যদিও সেই বিষয়টি এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।
প্রশ্ন উঠছে, রাজ্য বিজেপির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দু’টি উপনির্বাচনের প্রচার নিয়ে পদ্মশিবির লক্ষণীয়ভাবে নিষ্প্রভ কেন? যদিও এব্যাপারে যাবতীয় জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বুধবার তিনি বলেন, ‘উপনির্বাচনের প্রচারে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি কোনোদিনই প্রচারে যান না। একইভাবে বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের দিয়েও উপনির্বাচনের প্রচার করানো হয় না। পশ্চিমবঙ্গেও তার ব্যতিক্রম হবে না। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কেউ কেউ হয়তো নির্বাচনি প্রচারে বাংলায় আসতে পারেন। তবে কারা আসবেন, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত হয়নি।’ জানা যাচ্ছে, নির্বাচনি প্রচারের ব্যাপারে শীঘ্রই নিজেদের মধ্যে বৈঠকে বসবেন পদ্মশিবিরের শীর্ষ নেতারা। সেইমতো প্রস্তাব পাঠানো হবে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। বঙ্গ বিজেপি সূত্রে খবর, নির্বাচনি প্রস্তুতিতে হাতে সময় বেশি নেই। ইতিমধ্যে দলের রাজ্যস্তরের নেতারা প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। রাজ্যের শীর্ষস্তরের নেতাদের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও নির্বাচনি প্রচার সারবেন। নন্দীগ্রামে দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়ও শুভেন্দুবাবু সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ভোট নিয়ে তৎপরতা বাড়ছে পদ্মশিবিরের।