পরীক্ষিত যোদ্ধা দিয়ে কলকাতা ও  হাওড়া পুরভোটে লড়বে বিজেপি
  • ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একক শক্তিতে আসন্ন পুরসভা ভোটে লড়বে বিজেপি। এনসিপিআই, ঋতব্রত তৃণমূল বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোটের প্রশ্ন নেই। দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। শনিবার দিল্লিতে শমীকবাবু বলেন, জামা পালটানোর জন্য মানুষ বিজেপিকে ভোট দেয়নি। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত সংখ্যা রয়েছে। ফলে খুব সহজেই কলকাতা-হাওড়া পুরসভা ভোটে আমরা জিততে পারব। বিজেপি একক শক্তিতেই লড়াই করবে। যাঁরা তৃণমূলের লোক, তাঁরা ওঁদের প্রতীকে প্রার্থী হবেন। যাঁরা অন্য দলের লোক তাঁরা সেই পার্টির সিম্বলে লড়বেন। বিজেপি তাঁদের টিকিট দেবে কি না, এসব প্রশ্ন অবান্তর ও অপ্রাসঙ্গিক। উল্লেখ্য, জোড়াফুল প্রতীকে জয়ী প্রার্থীদের বিজেপি আসন্ন ভোটে টিকিট দেবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। শমীকবাবু তাতে পুরোপুরি জল ঢেলে দিলেন। সেই সূত্রে কলকাতা পুরভোটে পার্টির ইনচার্জ সুকান্ত মজুমদারও এদিন স্পষ্ট বলেছেন. বিভিন্ন দল থেকে ফ্রেন্ড রিকোয়েন্স আসতেই পারে। তবে তা ফাঁদও হয়। তৃণমূলের বর্তমান কাউন্সিলরদের বিজেপি টিকিট দেওয়া প্রসঙ্গে রাজ্য সভাপতির দেখানো লাইন মেনেই দল চলবে, বুঝিয়ে দিয়েছেন সুকান্তবাবু।

Advertisement

তবে প্রার্থী কারা হবেন? এক্ষেত্রে সবথেকে বেশি গুরুত্ব পাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জয়ের সম্ভাবনা। দলের তরফে ভাবী প্রার্থীদের বায়োডাটা মূল্যায়ণ হবে। তাতে জয় পাওয়ার সম্ভাবনা যাঁর বেশি থাকবে, তিনিই গেরুয়া শিবিরের টিকিট পাবেন। আগামী সোমবার বিকাল পাঁচটার মধ্যে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের বায়োডাটা পার্টির সদর দপ্তরে রাখা ড্রপ বক্সে জমা করতে হবে। এছাড়াও এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা কতটা রয়েছে, সেই বিষয়টাও খতিয়ে দেখা হবে। এক্ষেত্রে কোনও রকম দুর্নীতি কিংবা বেআইনি কাজে যুক্ত থাকার ইতিহাস পাওয়া গেলে, তিনি বিবেচনাতেই আসবেন না। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল—২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপর অত্যাচারকারী বহু তৃণমূলী জামা বদলেছেন। তাঁদের একাংশ বিজেপি প্রতীক পাওয়ার চেষ্টায় রয়েছেন। এক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে পার্টির নিচুতলার কর্মীদের মতামত চাইবে বঙ্গ বিজেপি। এক্ষেত্রে জেলা, মণ্ডল কিংবা বুথ পর্যায় থেকে ২০২১ ভোট পরবর্তী হিংসায় জড়িত থাকা ব্যক্তিদের তালিকা ইতিমধ্যেই রাজ্যে পৌঁছেছে। তা যাচাই করে টিকিট বণ্টন করা হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, কালী পুজোর আগেই  বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হতে পারে।