Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভোটের আগে নোট, পরে কাঁচকলা দেখায় বিজেপি, কটাক্ষ ফিরহাদের

ভোটের আগে ভেট। ১০ হাজার টাকা! ভোট মিটতেই কাঁচকলা দেখায় বিজেপি।

ভোটের আগে নোট, পরে কাঁচকলা দেখায় বিজেপি, কটাক্ষ ফিরহাদের
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: ভোটের আগে ভেট। ১০ হাজার টাকা! ভোট মিটতেই কাঁচকলা দেখায় বিজেপি। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়িতে পদ্ম শিবিরের বিরুদ্ধে এমন তোপ দাগেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। একই সঙ্গে তিনি বলেন, মানুষের জন্য রাজনীতি করে তৃণমূল কংগ্রেস। যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, তা পালন করা হয়। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা সারা বছর পান মহিলারা। তাই চতুর্থ বারের জন্য বাংলায় হবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। পাল্টা বিজেপির মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিধায়ক আনন্দময় বর্মন বলেন, পায়ের তলার জমি নড়বড়ে হয়েছে। তাই আবলতাবল বকছেন পুরমন্ত্রী। 
কিছুদিন আগে শিলিগুড়ি পুরসভার ৭৫তম বর্ষপূর্তি ভবনের উদ্বোধন করা হয়। ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসতে পারেননি মন্ত্রী। এদিন ওই ভবনে সভা করেন পুরমন্ত্রী। তিনি শহরের বদলে যাওয়া রূপ, নাগরিক পরিষেবার মান প্রভৃতির প্রশংসা করেন। পরে ভবনের প্রেসকর্নারে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনের জন্য কোনো কাজ করি না। বিজেপি নির্বাচনের আগে এলাকায় বারে বারে আসবে। ১০ হাজার টাকা করে দেবে। ভোট মিটতেই কাঁচকলা দেখাবে। আমরা সেই রাজনীতি করি না। 
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের কথা উল্লেখ করে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আমরা সারা বছর মানুষের জন্য কাজ করছি। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী যা প্রতিশ্রুতি দেন, তা পালন করেন। ভোটের আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের কথা ঘোষণা করেছিলেন। সেই প্রকল্পের টাকা সারা বছর ধরে পাচ্ছেন মহিলারা। এবার সেই প্রকল্পের টাকা বাড়িয়ে ১৫০০ ও ১৭০০ করা হয়েছে।

Advertisement

কাজেই আমারা ভোটের দিকে তাকিয়ে নয়, মানুষের জন্য উন্নয়নমূলক কাজ করছি। এজন্যই চতুর্থবারের জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার গঠিত হবে। এর আগে পুরসভার নতুন সভাকক্ষে পুরমন্ত্রীর সভায় মেয়র গৌতম দেব, ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার, চেয়ারম্যান প্রতুল চক্রবর্তী সহ কাউন্সিলার ও আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় মন্ত্রী বলেন, কয়েক বছর আগে ভোটের সময় এই শহরে এসেছিলাম। কয়েক বছরের মধ্যে এই শহর আমূল বদলে গিয়েছে। গৌতমদার নেতৃত্বে কর্পোরেট লুক পেয়েছে পুরসভা। সভাকক্ষের সাউন্ড সিস্টেম অত্যাধুনিক। এখানেই কেন্দ্রের বিজেপির সরকারের বিরুদ্ধে সুরসপ্তমে তোলেন পুরমন্ত্রী। বলেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ভাবনায় গড়া হয়েছিল প্ল্যানিং কমিশন। সেখান থেকেই রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখা হত। রাজ্যের প্রাপ্য অর্থ সেই কমিশন থেকে দেওয়া হত। এখন ওরা গড়েছে নীতি আয়োগ। সেটা যে কি করে, বোঝার উপায় নেই। শুধু ওদের লক্ষ্য বাংলার টাকা আটকে দেওয়া। আমাদের প্রাপ্য দুই লক্ষ কোটি টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র।সবশেষে কাউন্সিলারদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী  বলেন, সকলকে আরএকটু মানুষের কাছে যেতে হবে। যাতে ধর্মীয় বিভাজন না হয়। মানুষের মধ্যে বিভেদ যাতে না ছড়ায়। ঐক্যবদ্ধভাবে থেকে বাংলার কৃষ্টি, সংস্কৃতি, বজায় রাখতে  হবে।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ