Bartaman Logo
১৫ আগস্ট, ২০২৬

কপ্টার-চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের হিসাব দিক বিজেপি, সরব ডেরেক

দলের কাজে কোটি টাকা খরচে হেলিকপ্টার এবং বিমান ব্যবহারের অভিযোগে তৃণমূলের ঘরে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। তবে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে সামান্য স্বস্তি পাওয়ার পরেই পালটা সরব হল মমতাপন্থী তৃণমূল।

কপ্টার-চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের হিসাব দিক বিজেপি, সরব ডেরেক
  • ১০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দলের কাজে কোটি টাকা খরচে হেলিকপ্টার এবং বিমান ব্যবহারের অভিযোগে তৃণমূলের ঘরে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। তবে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে সামান্য স্বস্তি পাওয়ার পরেই পালটা সরব হল মমতাপন্থী তৃণমূল। একইসঙ্গে বারুইপুর কাণ্ডে এনকাউন্টারকে ‘ভুয়ো’ বলেই তোপ দাগল। বৃহস্পতিবার তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, ইডি’র কাজই হল বিরোধী দলের নেতানেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করা। আমাদের দলের  বিরুদ্ধেও প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে বিজেপি। এজেন্সিকে দিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। 

Advertisement

ডেরেকের দাবি, তৃণমূল যে হেলিকপ্টার বা চার্টার্ড বিমান ব্যবহার করেছে, তার মধ্যে কোনো লুকোছাপা নেই। সবই নির্বাচন কমিশন, আ‌য়কর বিভাগকে জানানো। তারপরেও স্রেফ বিরোধী দল বলেই ইডিকে দিয়ে হেনস্তা করা হচ্ছে।  তিনি আরো বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার আগে বিজেপি বলুক তাদের নেতানেত্রীরা কোথায় কতগুলি হেলিকপ্টার আর ভাড়ার বিমান ব্যবহার করেছেন? কোথা থেকে এসেছে এসবের টাকা? বারুইপুর প্রসঙ্গে ডেরেকের মন্তব্য, ওটা ফেক এনকাউন্টার। উত্তরপ্রদেশ মডেল। বাংলায় বিনা বিচারে কারো এ ধরনের ‘শাস্তি’ বেনজির। আসলে বিজেপি বারুইপুর নিয়ে বিপাকে। তাই নজর ঘোরাতে এ ধরনের ফেক এনকাউন্টার করেছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনে আমরা বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাব। 
অন্যদিকে, এসআইআর ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের নেতিবাচক ভূমিকার অভিযোগ করে এবার সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারপতিকে চিঠি দেওয়ার ভাবনাচিন্তা করছে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। এসআইআর ত্রুটিপূর্ণ এবং ইচ্ছাকৃত নাগরিকদের নাম বাদ দেওয়ার এক ষড়যন্ত্র বলেই বিরোধীদের অভিযোগ। এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ দাবি করে গত ২৮ জুন রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদবদের মতো বিজেপি বিরোধী ২৪ টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি দেশের প্রধান বিচারপতিকে আট পাতার চিঠি দিয়েছিলেন। সেই চিঠির এখনো কোনো জবাব পায়নি বিরোধীরা। তাই চাপ বাড়াতে এবার সুপ্রিম কোর্টের বাকি ৩৭ জন বিচারপতিকেও চিঠি দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ