Bartaman Logo
৫ জুলাই, ২০২৬

রিসর্ট রাজনীতির নেপথ্যে বিজেপি-সিন্ধের কোন্দল, আক্রমণ উদ্ধব শিবিরের

বৃহন্মুম্বই পুরসভার নির্বাচনে জয়ের আনন্দে মশগুল বিজেপি শিবির। কিন্তু এই জয়ের মধ্যেও রয়ে গিয়েছে অস্বস্তির কাঁটা। গতবারের তুলনায় আসন সামান্য বেড়েছে।

রিসর্ট রাজনীতির নেপথ্যে বিজেপি-সিন্ধের কোন্দল, আক্রমণ উদ্ধব শিবিরের
  • ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: বৃহন্মুম্বই পুরসভার নির্বাচনে জয়ের আনন্দে মশগুল বিজেপি শিবির। কিন্তু এই জয়ের মধ্যেও রয়ে গিয়েছে অস্বস্তির কাঁটা। গতবারের তুলনায় আসন সামান্য বেড়েছে। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য নির্ভর করতে হচ্ছে শরিক একনাথ সিন্ধের শিবসেনার উপর। মেয়র পদ ভাগাভাগি নিয়ে বিজেপির সঙ্গে সিন্ধে সেনার দর কষাকষির খবরও সামনে এসেছে।  ফিরেছে ‘রিসর্ট পলিটিক্স’ও। মুম্বইয়ের এক পাঁচতারা হোটেলে দলের জয়ী কাউন্সিলারদের রেখেছেন সিন্ধে। কেন এই পদক্ষেপ? বিজেপিকে চাপে রাখার কৌশল নাকি উদ্ধবের বিরোধী জোটকে ভয়? গতকালই দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে উদ্ধব থ‌্যাকারে বলেন, মুম্বইয়ে শিবসেনার মেয়রকে বসানোই স্বপ্ন। ভগবান চাইলে এই স্বপ্ন সত্যি হবে। এরপরই সিন্ধে শিবিরের কাউন্সিলারদের হোটেলে রাখার খবর সামনে আসে। ঘোড়া কেনাবেচা রুখতেই এই পদক্ষেপ বলে অনুমান। যদিও এব্যাপারে বিজেপি-সিন্ধে সেনা জোটের অন্দরের কোন্দলের দিকেই আঙুল তুলেছে উদ্ধবের দল। এদিন তাদের দলীয় মুখপাত্র সামনার সম্পাদকীয়তে টিম সিন্ধেকে চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, শিবসেনা মুম্বইয়ে ২৩ জন মারাঠি মেয়র দিয়েছে। সেই ধারা কি এবারও বজায় থাকবে?

Advertisement

উদ্ধব বলেছেন, বিজেপিকে ভয় পাচ্ছেন সিন্ধে। সেজন্যই দলের কাউন্সিলারদের পাঁচতারা হোটেলে রেখেছেন। সিন্ধে জানেন, ওরা একবার দল ভাঙতে পারলে আবারও পারবে। সামনা’র সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে,  সিন্ধেসেনার কাউন্সিলারদের দলে টেনে নিজের জায়গাটা শক্ত করাই লক্ষ্য বিজেপির। যাতে পরে সিন্ধেকে সহজে ছুড়ে ফেলা যায়। মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গেও সিন্ধের লড়াই চলছে। সামনায় আরও লেখা হয়েছে, মুম্বইয়ের সুরক্ষার জন্য থ্যাকারে ভাইরা কঠোর লড়াই করেছেন। আত্মপরিচয়ের জন্য এই লড়াইয়ের ইতিহাস নতুন করে লেখা হবে। শিবসেনা (উদ্ধব)-র অভিযোগ, উন্নয়ন নয়, ফড়নবিশের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসের নেপথ্যে রয়েছে অর্থ ও পেশিশক্তি। সঙ্গে চাপ তৈরির কৌশল। এর পাশাপাশি উদ্ধবের দলের বার্তা, ভোট হয়েছে। ফলও বেরিয়েছে। রাজনীতির আসল খেলা এখনও বাকি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ