নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলীয় নেতাদের আশু দায়িত্ব-কর্তব্য বুঝিয়ে দিয়েছেন স্বয়ং তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বসে নেই বাংলার প্রধান বিরোধী দল বিজেপি’ও—আরও স্পষ্ট করে বললে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের মুখ্য নিয়ন্ত্রক রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)। জোড়াফুল শিবিরের প্রস্তুতি বৈঠকের দু’দিনের মধ্যে সঙ্ঘ তাদের সহযোগী খান তিরিশেক সংগঠন নিয়ে সমন্বয় বৈঠকে বসতে চলেছে। উলুবেড়িয়ার তাঁতিবেড়িয়ায় আজ শনিবার থেকে দু’দিনের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বসছে। বিজেপি, বিশ্ব হিন্দু পরিষেদ, বজরং দলসহ কয়েকটি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের ‘মুখিয়া’রা সেখানে হাজির থাকবেন। বঙ্গ বিজেপির সরফে সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, শমীক ভট্টাচার্যসহ বাছাই করা নেতা-নেত্রীরা আমন্ত্রণ পেয়েছেন।
Advertisement
এই প্রসঙ্গে সঙ্ঘের এক অধিকারী বলেন, প্রত্যেক শাখা সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃত্ব সামগ্রিক পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করবেন। বাংলার আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে প্রান্তিক এলাকায় কাজ করা সংগঠনগুলি নিজেদের সাম্প্রতিক অতীতের কাজের রিপোর্টিং করবে। তিনি আরও বলেন, চলতি বছর আরএসএস শতবর্ষে পা দিচ্ছে। এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে বাংলায় গেরুয়া মনোভাবাপন্ন সমস্ত শাখা-প্রশাখার সার্বিক ব্যাপ্তি সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই বৈঠক। পাশাপাশি বছর ঘুরলেই বিধানসভা ভোটে। সেক্ষেত্রে আরএসএসের মতাদর্শের সঙ্গে বর্তমান শাসক দলের আদর্শগত পার্থক্য চরমে উঠেছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী সঙ্ঘের কাজকর্ম নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করছেন। সেক্ষেত্রে আরএসএসের মতাদর্শ ছড়িয়ে দিতে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন জরুরি। সেক্ষেত্রে বিজেপি কতটা প্রস্তুত তার খানিক আভাস মিলবে এই বৈঠকে।
কেননা, সঙ্ঘ থেকে ‘ডেপুটেশন’-এ বিজেপিতে বিভিন্ন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের থেকে সার্বিক পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা হবে। উল্লেখ্য, চলতি মাসেই ১০ দিনের বঙ্গ সফরে এসেছিলেন সরসঙ্ঘ চালক মোহন ভাগবত। সূত্রের দাবি, সঙ্ঘ প্রধান বাংলার নেতাদের নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সরিয়ে মূল লক্ষ্যে এগিয়ে চলার পরোক্ষ বার্তা দিয়েছেন। যদিও রাজ্য পার্টিতে নেতাদের মধ্যে সংঘাত এখন সমান তালে চলছে। নেতাদের কলহ সঙ্ঘ ভালো চোখে দেখছে না। ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী একাধিক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে সরাসরি আর্থিক দুর্নীতি সহ গুচ্ছ অভিযোগও সামনে আসছে। রাজ্য বিজেপির এক সম্পাদক কিছুদিন আগে আর্থিক প্রতারণা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। সব মিলিয়ে বেলাইনে চলা বিজেপিকে ‘রাজনীতির মূলস্রোতে’ ফেরাতে আরএসএসের দু’দিনের দাওয়াই নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।
কেননা, সঙ্ঘ থেকে ‘ডেপুটেশন’-এ বিজেপিতে বিভিন্ন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের থেকে সার্বিক পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা হবে। উল্লেখ্য, চলতি মাসেই ১০ দিনের বঙ্গ সফরে এসেছিলেন সরসঙ্ঘ চালক মোহন ভাগবত। সূত্রের দাবি, সঙ্ঘ প্রধান বাংলার নেতাদের নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সরিয়ে মূল লক্ষ্যে এগিয়ে চলার পরোক্ষ বার্তা দিয়েছেন। যদিও রাজ্য পার্টিতে নেতাদের মধ্যে সংঘাত এখন সমান তালে চলছে। নেতাদের কলহ সঙ্ঘ ভালো চোখে দেখছে না। ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী একাধিক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে সরাসরি আর্থিক দুর্নীতি সহ গুচ্ছ অভিযোগও সামনে আসছে। রাজ্য বিজেপির এক সম্পাদক কিছুদিন আগে আর্থিক প্রতারণা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। সব মিলিয়ে বেলাইনে চলা বিজেপিকে ‘রাজনীতির মূলস্রোতে’ ফেরাতে আরএসএসের দু’দিনের দাওয়াই নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।



