নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: অন্য রাজনৈতিক দলের অফিস দখলের ঘটনা ছিলই। এবার আস্ত স্কুল দখল করে বিধায়কের অফিস তৈরির অভিযোগ উঠল বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। চুঁচুড়ার কোদালিয়া ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সিমলাপুলের কাছে সিমলা হরিচরণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একতলাটি ইতিমধ্যেই গেরুয়া রং করা হয়েছে। সেখানে ‘বিধায়ক সেবা কেন্দ্র’ চালু করে ফ্লেক্সও লাগানো হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই নানা মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্কুল দখল হয়ে যাওয়া নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। যদিও শাসকদলের দাপটের মুখে কেউ মুখ খোলার সাহস দেখাননি।
তবে এনিয়ে মুখ খুলেছেন মমতা তৃণমূলের হুগলি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি চুঁচুড়ার প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার। তিনি বলেন, বিজেপির স্বৈরাচারী রূপ প্রকাশ্যে এসেছে। স্কুল দখল করে বিধায়কের অফিস তৈরির কথা বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। অতীতে এমন ঘটনা ঘটেনি। বিজেপির চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগ অবশ্য বলেন, কোনো স্কুল দখল করা হয়নি। ওই স্কুলটি আগেই অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওই ভবনটি একজনের ব্যক্তিগত সম্পত্তি। সেই বাড়ির মালিক নিজেই আমাদের কর্মীদের বাড়িটি ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করেছিলেন। বিরোধীরা মাটির সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারছেন না। তাই ভুল তথ্য নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে প্রচার করছেন। জানা গিয়েছে, সিমলাপুলের ওই স্কুলটি সরকারি খাতায় এখনও স্কুলভবন হিসাবেই নথিভুক্ত আছে। তা ব্যক্তিগত মালিকানার আওতায় পড়ে কি না, তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও জেলা বিদ্যালয় শিক্ষাদপ্তরও ওই প্রশ্নের মীমাংসা করতে পারেনি। হুগলি জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বপন গিরি বলেন, বিষয়টি ঠিক কী হয়েছে, তা আমার জানা নেই। কোনো অভিযোগ পাইনি। এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে।



