Bartaman Logo
৪ আগস্ট, ২০২৬

মধ্যপ্রদেশে উননির্বাচনে হার বিজেপির, গুজরাতে জয়ের মার্জিন কমল ৭০ হাজার

নিট আন্দোলন ভোটের ফলে কি প্রভাব ফেলবে? পরীক্ষায় বিজেপি ডাহা ফেল করায় প্রমাণিত হল, প্রভাব পড়েছে এবং তা ভালোমতোই।

মধ্যপ্রদেশে উননির্বাচনে হার বিজেপির, গুজরাতে জয়ের মার্জিন কমল ৭০ হাজার
  • ৪ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ভোপাল ও গান্ধীনগর: নিট আন্দোলন ভোটের ফলে কি প্রভাব ফেলবে? পরীক্ষায় বিজেপি ডাহা ফেল করায় প্রমাণিত হল, প্রভাব পড়েছে এবং তা ভালোমতোই। বিহারের বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের কাছে হার বড়ো ধাক্কা। নুনের ছিটে মধ্যপ্রদেশের দাতিয়া বিধানসভার উপনির্বাচনের ফলাফল। প্রাক্তন মন্ত্রী নরোত্তম মিশ্রর বদলে নতুন মুখ এনে মাস্টারস্ট্রোক দিতে চেয়েছিল গেরুয়া শিবির। কিন্তু দাতিয়া আসন রইল সেই কংগ্রেসের দখলেই। কংগ্রেস প্রার্থী ঘনশ্যাম সিংয়ের কাছে ৬ হাজার ১৬ ভোটে হারল বিজেপি প্রার্থী আশুতোষ তিওয়ারি। রাজ্যে ক্ষমতায় থাকলে উপনির্বাচনের ফলাফল সাধারণত শাসকদলের পক্ষেই যায়। অতীতেও এমন প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। সোমবার ভিন্ন চিত্রের সাক্ষী থাকল মোহন যাদবের মধ্যপ্রদেশ। এই অস্থির পরিস্থিতিতে মুখরক্ষা করেছে গুজরাতের মঞ্জলপুর আসন। কিন্তু এখানেও অশনি সংকেত। বিজেপি প্রার্থী সতীশ গোবিন্দভাই প্যাটেল কংগ্রেস প্রতিদ্বন্দ্বী ভিখাভাই রাবারিকে মাত্র ৩০ হাজার ৬৩০ ভোটে হারিয়েছেন। পরিসংখ্যান বলছে, বিজেপির জয়ের ব্যবধান অনেকটাই কমেছে। ফারাক ৭০ হাজার ১২৪ ভোটের। ২০২২ সালে জয়ের মার্জিন ছিল ১ লক্ষ ৭৫৪।

Advertisement

ভোটের আগে মধ্যপ্রদেশ বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। দাতিয়া আসনে প্রার্থী বাছাই নিয়ে দফায় দফায় ঝামেলা বাধে। দাতিয়াকে হাতের তালুর মতো চেনেন রাজ্যের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্র। কিন্তু তিনি টিকিট পাননি। এর জেরে দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভ, ভাঙচুর, সড়ক অবরোধ সহ নানা ঘটনার সাক্ষী হয় মধ্যপ্রদেশ। শোনা যায়, গত নির্বাচনে হার ও বারংবার বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে নরোত্তমকে বাদ দিয়ে আরএসএস নেতা আশুতোষ তিওয়ারিকে বেছে নিয়েছে বিজেপি। কিন্তু সাফল্য অধরা থেকে গেল। দুপুরের পরই ভোপালে কংগ্রেসের সদর দপ্তর থেকে শুরু করে দাতিয়ার পার্টি অফিসগুলিতেও মিষ্টি বিতরণ শুরু হয়ে যায়। জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী ঘনশ্যাম সিংয়ের কথায়, ২০২৮ সালে মধ্যপ্রদেশে সরকার গড়বে কংগ্রেস। পরবর্তীতে রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন তিনি। চন্দ্রশেখর আজাদের দল আজাদ সমাজ পার্টি (কাঁশিরাম) ২২ হাজার ৫২৭ ভোট না টানলে ব্যবধান আরও বাড়ত। নরেন্দ্র মোদির গুজরাতেও অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। গণনা শেষ হওয়ার পর বিজেপি প্রার্থী সতীশ গোবিন্দভাই প্যাটেলের মার্জিন মাত্র ৩০ হাজার ৬৩০ ভোটের। কংগ্রেস প্রার্থীর কথায়, রাজ্য সরকার, মন্ত্রী, নির্বাচন কমিশন একযোগে তাঁকে হারানোর ষড়যন্ত্র করেছিল। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ