সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: বাগনানের আন্টিলা গ্রাম পঞ্চায়েতের পাইকপাড়ি গ্রামে বিজেপি নেতা প্রশান্ত দে’কে খুনের ঘটনায় পুলিশ প্রথমে আট অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার পাকড়াও করা হয় আরও একজনকে। এদিন ধৃতদের উলুবেড়িয়া আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪ দিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেন। আদালতে যাওয়ার সময় অভিযুক্তরা নিজেরাই মুখ ঢেকে নেয়। হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের সুপার অমিত ভার্মা বলেন, সব মিলিয়ে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। এদিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত প্রশান্ত দে’র পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণ বাবদ চার লক্ষ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। নিহতের বাড়িতে যান হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের সুপার, উলুবেড়িয়ার মহকুমা শাসক, বাগনান ২ নম্বর ব্লকের বিডিও, বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ জেলার সভাপতি দেবাশিস সামন্ত সহ অন্যান্যরা। এদিনও থমথমে ছিল পাইকপাড়ি গ্রাম। ঘটনার পর প্রায় পুরুষ শূন্য হয়ে গিয়েছে গোটা গ্রাম। মহিলারা কেউই মুখ খুলতে চাইছেন না। এদিকে, বাগনানের ঘটনার তদন্তভার সিআইডিকে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরকার আহতদের চিকিৎসা ভার নেওয়ার পাশাপাশি মৃত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ চাকরির ইচ্ছা প্রকাশ করলে তিনি তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে পাইকপাড়ি গ্রামে আন্টিলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মফিজুর ইসলাম খানের বাড়ির সামনে খুন হন বিজেপি নেতা প্রশান্ত দে। এই ঘটনায় উপপ্রধান ও তার দলবলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ উঠেছে। মৃতের স্ত্রী সোমা দে ইতিমধ্যেই মফিজুর সহ ৪২ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। নিজস্ব চিত্র



